গবেষক মুহাম্মদ আবূ তালিবের এ গ্রন্থে প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের নৃতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও জাতিসত্ত্বার প্রকৃত মূলধারাকে চিহ্নিত করেছেন। ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যে পৌত্তলিকতার ভেড়িবাঁধ নির্মিত হয়েছে। যুগে যুগে এবং একত্ববাদী মূল গ্রোতকে ঘোলাটে করতে ব্রাহ্মণ্য চিন্তা-চেতনার আবর্জনা নিক্ষেপ করা হয়েছে। তারই ইঙ্গিত এই গ্রন্থের পরতে পরতে।
ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে প্রতিভাধর কালজয়ী এক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত স্বতন্ত্র কবি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ভাব-ভাষা, ছন্দ, রূপক উপমা প্রতীকের নৈপুণ্যময় ব্যবহারে তিনি এ স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করেছেন। সমকালে এবং পরবর্তীকালেও তাঁর সম্পর্কে যাঁরা আলোচনা করেছেন, তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো নিয়েই ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য-(১ম খন্ড ও ২য় খন্ড) সম্পাদিত হয়েছে।
নাস্তিকতাবাদের পতন’ তুরস্কের লেখক হারুন ইয়াহিয়ার ‘A Turning Point in History : The Fall of Atheism’ গ্রন্থের অনুবাদ। অনুবাদটি দৈনিক ইত্তেফাকে ‘নিরীশ্বরবাদের পতন : ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ’ শিরোনামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে নাস্তিক্যবাদের পতন, আল্লাহর অস্তিত্ব প্রসঙ্গ ও মৃত্যু আমাদের যা শেখায়-এ তিনটি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
এ গ্রন্থে লেখক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান করেছেন এ ভূখন্ডের অতীত ইতিহাসের গভীরে। বাঙালির ইতিহাস ও ঐহিত্যের প্রবহমান মূলধারায় তিনি নির্দেশ করেছেন বাংলাদেশের উৎসস্থলকে। বাঙালির ইতিহাস নিয়ে আজও অনুসন্ধিৎসার বিরাম নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর এ প্রচেষ্টা আশাপ্রদভাবে ক্রমবর্ধমানতার প্রয়াস এই গ্রন্থে নিহিত।
নাট্য আন্দোলনের ইতিহাস বহু পুরানো। কেউ কেউ দাবি করছে ১৯৭১-এর পর এদেশে নাটকের জন্ম। ১৯৫০ সাল থেকে ঢাকার মঞ্চ ও বেতারে নাটকের ব্যাপক প্রচলন ছিল। সে সময় থেকে দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সন-তারিখ তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে ইতিহাস’ বইটি রচিত হয়েছে।
ঢাকার নওয়ার পরিবার তথা খাজা পরিবারের দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব খাজা শামসুল হক ও খাজা মওদুদ এবং তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠজন কাজী আবদুল কাইউমের লেখা বিভিন্ন সময়ের দিনপঞ্জি এবং ডায়েরি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ গ্রন্থ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গ্রন্থে ১৯০৪ থেকে ১৯৩০ সালে ঘটনাবলির মাধ্যমে তৎকালীন ঢাকার সমাজ ও সংস্কৃতি বিশদভাবে রচিত হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.