নাট্য আন্দোলনের ইতিহাস বহু পুরানো। কেউ কেউ দাবি করছে ১৯৭১-এর পর এদেশে নাটকের জন্ম। ১৯৫০ সাল থেকে ঢাকার মঞ্চ ও বেতারে নাটকের ব্যাপক প্রচলন ছিল। সে সময় থেকে দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সন-তারিখ তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে ইতিহাস’ বইটি রচিত হয়েছে।
যারা ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পঠন-পাঠনে আগ্রহী কিংবা বাইবেলের ওপর সম্যক ধারণা লাভ করতে চান, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে বার্নাবাসের বাইবেল প্রচুর তথ্য ও উপাত্তের উৎসগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হবে। বাইবেলের মর্মবাণী অনুধাবন করার ও পাঠকের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস এই গ্রন্থ।
আমাদের দেশের তরুণ সমাজ জ্ঞান চর্চার গভীরে পৌছার সুযোগ সুবিধা, পথনির্দেশ না পেয়ে আনন্দ চর্চার নামে সস্ত। সাহিত্য এবং পর্ণসাহিত্যের অশ্লীলতায় বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিভাধরগণ পথনির্দেশনা দিয়ে নিজ নিজ স্বার্থোদ্ধারের পুঁজি হিসাবে তাদের ব্যবহার করে চলেছেন। ফলে দেশে জীবিকা ভানের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি না হয়ে দ্বন্দ্বে, কলহে, আন্দোলনে তরুন সমাজের মন-মস্তিষ্ক ধ্যাণ-ধারণা আছন্ন হয়ে পড়ছে। সাংস্কৃতিক বাখাটেপনা তারই নির্যাস।
এ গ্রন্থে লেখক কবিজীবনে দুঃখ-কষ্টের নানা দিক তুলে ধরেছেন। কবিজীবনের কষ্টের এমন অজানা বিষয় রয়েছে, যা পাঠককে ভাবাবেগে আপ্লুত না করে পারে না। আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম অধিকার বঞ্চিত ছিলেন সবসময়। জীবনসায়াহ্নে এসে কবি নানাভাবে পীড়িত হয়েছেন। গ্রন্থের পরতে পরতে কবির জীবনের ট্র্যাজিডি ফুটে উঠেছে।
প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে এই আধুনিককাল পর্যন্ত নারী নির্যাতনের উৎস ও কারণগুলো ইতিহাসের নিকষ কালো গহ্বর থেকে তুলে এনেছেন। নারী নির্যাতনের ইতিহাস-উপকরণ, দুর্লভ ছবি, মূল্যবান তথ্য ও তত্ত্ব দিয়ে গ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। এছাড়া একমাত্র ইসলামই যে নারীর প্রকৃত মুক্তি ও মর্যাদার বিধান সুনিশ্চিত করেছে -এর বাস্তবতা তথ্য নির্ভর অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
মুসলিম শাসনামলে বাংলা ভাষার নবজন্ম ঘটে, বাংলা সাহিত্যের চর্চা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সাহিত্য যে ঐতিহাসিক বাস্তবতার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করে এক স্বাধীন জাতি ও সমৃদ্ধ সাহিত্যের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারই নানান প্রয়াস এ গ্রন্থে নিহিত রয়েছে।
ইসলামী মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুত হয়ে বিজাতীয় দর্শন অনুকরণ-অনুসরণে বিভ্রান্ত জাতিতে পরিণত হয়েছে মুসলিমরা। এমনই অসহনীয় পরিণতি থেকে আমাদের নিজস্ব স্বকীয়তা ফিরিয়ে আনতে যারা অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত, তাদের একজন মোঃ এনামুল হক। মূল্যবোধ অবক্ষয়ের উন্মাতাল হাওয়া রুখে দাঁড়ানোর জন্যই এই গ্রন্থের অবতারণা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন উপজাতির উপাখ্যান বোঝার ও জানার জন্য একটি সহায়ক গ্রন্থ এটি। পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়্যাল, চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি, মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ, মাদ্রাসা শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম প্রচার, স্বাস্থ্যসেবা, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, উপজাতি পরিচিত, এনজিও এবং মিশনারি সেবা ইত্যাদি বিষয়সমূহ এ গ্রন্থে ফুটে উঠেছে।
Reviews
There are no reviews yet.