কিয়ামত হাশর জান্নাত জাহান্নাম- অধ্যাপক মুহাম্মাদ সিরাজ উদ্দীন
কিয়ামতের পূর্ববর্তী আলামত, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর পাঠক চাহিদার প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। দুনিয়ায় আমাদের একটি বড় কর্তব্য হলো মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা এবং আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহ করা। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর ও উদাসীন। এ উদাসীনতা দূর করার নিমিত্তে এ গ্রন্থের সূচনা।
কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান- ভাষান্তর : খোন্দকার হাবীবুর রহমান
ডা. জাকির নায়েক রচিত ‘দ্য কুরআন অ্যান্ড সাইন্স’-এর বাংলা অনুবাদ ‘কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান’। বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিন্ডলে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনেরই বিস্ময়কর আলোকচ্ছটার বিচ্ছুরণ ঘটাবে এ গ্রন্থের শিক্ষা থেকে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পাঠকসমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক খোরাকের প্রয়োজনে এ গ্রন্থটি অনুবাদ করা হয়েছে।
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে সফলতার মানদণ্ড-ইদ্রিস আলী
প্রথম প্রকাশ:অক্টোবর ২০২৫ পৃষ্ঠা:১৬০ মূল্য:২৮০
কুরআন নাযিলের উদ্দেশ্য মুমিনের দায়িত্ব তিলাওয়াতের সঠিক পদ্ধতি-অধ্যাপক মুহাম্মাদ সিরাজ উদ্দীন
কুরআন পড়া, কুরআন বুঝা, কুরআন নিয়ে গবেসনা ও আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার প্রতি বিশ্ব মুসলিমের দৃষ্টি আকষর্ণ করা উদ্দেশ্যে বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, লেখক,গবেষক, মিডিয়া ব্যক্তিত্ত্ব, সাহিত্যিক ও বহু গ্রন্থপ্রনেতা অধ্যাপক মুহাম্মাদ সিরাজ উদ্দীন ‘কুরআন নাযিলে উদ্দেশ্য , মুমিনের দায়িত্ব ও তিলাওয়াতের সঠিক পদ্ধতি’ শীর্ষক গ্রন্থটি প্রণয়ন করেছেন। কারণ শুধু ছোয়াবের আশায় কুরআন তিলাওয়াত করার মধ্যে আমাদের ইহকাল ও পরকালের শান্তি ও মুক্তি নেই; আমাদের প্রকৃত কল্যাণ নিহিত রয়েছে কুরআন বুঝে বুঝে পড়া ও কুরআনের নির্দেশিত পথে চলার মধ্যে। মুমিনদের অধ্যায়নে, অনুধাবনে-অনুসরনে ও জাতীয় পুনর্জাগরণে উদ্বুদ্ধ করাই লেখকের গ্রণ্থ রচনার মূল লক্ষ্য।
কুরআন নিয়েই ছিল পথ চলা যাদের-আলী আহমাদ মাবরুর
কুরআন মানুষকে আলোকিত করে। অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ পাক নিজেই কুরআনকে জ্যোতি বলে আখ্যা দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে এসেছে, “আল্লাহর কাছ থেকে এক জ্যোতি ও স্পষ্ট কিতাব তোমাদের কাছে এসে গেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এটা দিয়ে তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ ইচ্ছায় অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে আসেন। আর তাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করেন।” (সূরা : মায়িদা, আয়াত : ১৫-১৬)। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আলোকিত মানুষ তৈরি করা। এ কথা পবিত্র কুরআনে অন্য একস্থানে বর্ণিত হয়েছে, “তিনিই (আল্লাহ) তাঁর বান্দার প্রতি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেন, তোমাদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনার জন্য। আল্লাহ তো তোমাদের প্রতি করুণাময়, পরম দয়ালু।” (সূরা : হাদিদ, আয়াত : ৯)
বিশিষ্ট লেখক আলী আহমদ মাবরুর রচিত ‘কুরআন নিয়েই ছিল পথচলা যাদের’ কুরআনকে কেন্দ্র করে অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত হওয়ার মত একটি গ্রন্থ। বিশেষ করে কুরআনের রঙ্গে নিজেকে রাঙিয়ে তোলার মত অনুপ্রেরণা পাওয়া যাবে এ গ্রন্থের পড়তে পড়তে। কুরআনের সমাজ কায়েম করার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অবদান কিংবা কুরআন কীভাবে সাহাবী ও সালফে সালেহীনদের প্রভাবিত ও উজ্জীবিত করেছিল এমন কিছু ঘটনা-এই বইয়ে গল্প আকারে সাজানো হয়েছে।
কুরআন মজীদের উৎকর্ষের কিছু দিক- আলহাজ্ব অধ্যাপক গোলাম ছোবহান
প্রথম প্রকাশকাল : সর্বশেষ প্রকাশ : মূল্য : ১৫০ পৃষ্টা : ৩৫২
কুরআন সুন্নাহর আলোকে মাসনুন দূ’আ ও আমল-জহিরুল ইসলাম
দু'আ আল্লাহ ও মুমিন বান্দাহর মধ্যে সেতু বন্ধনের অন্যতম মাধ্যম। দু'আর মাধ্যমেই আল্লাহর রহমত ও সাহায্য পাওয়া যায়।'কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মাসনূন দু'আ ও আমল' একটি অনন্য সংকলন। এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:* কুরআন ও সুন্নাহর প্রামাণ্য রেফারেন্স:* আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় সকল দু'আ ও আমলের সমাহার;* প্রকারভেদে বিভিন্ন নামাযের গুরুত্ব ও ফযীলতের তথ্যভিত্তিক উপস্থাপন;* কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব, ফযীলত ও আদব সংক্রান্ত আলোচনা;* কুরআনের বিশেষ কিছু আয়াত ও সুরার ফযীলত বর্ণনা:* ফযীলতপূর্ণ যিকর, তাসবীহ ও তাহলীলের বর্ণনা;* অর্থসহ আল-আসমাউল হুসনা ও 'ইসমে আযম'-এর সংযোজন;* রাসূলুল্লাহ (স.)-এর প্রতি দরুদ ও সালাম পাঠের গুরুত্ব ও পুরস্কার সম্বলিত আলোচনা:* নারী-পুরুষের কয়েকটি দায়েমি ফরম ও সুন্নাত এবং গুনাহমুক্ত জীবনের উপায় সম্বলিত দিক নির্দেশনা;* সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সহজ-সাবলীল ও প্রাঞ্জল ভাষায় বিভিন্ন দু'আর উচ্চারণসহ
কুরআন-সুন্নাহর দু’আ ও মুনাজাত(প্রেক্ষাপট ও ফযীলতসহ)-মাওলানা মুহাম্মদ নূরুজ্জামান (হেলাল)
লেখক গ্রন্থে কুরআন ও হাদীসে বর্ণিত দুআ ও মুনাজাতসমূহ সন্নিবেশিত করেছেন। প্রতিটি দুআতে তাফসির থেকে ব্যাখ্যা, প্রেক্ষাপট ও ফজিলতসহ আলোচনা করেছেন। পাশাপাশি হাদীসগ্রন্থে বর্ণিত অধিক ফজিলতপূর্ণ দুআসমূহও আলোচনা করেছেন। এ গ্রন্থে পাঠকের সুবিধার্থে মূল আরবী টেক্সট-এর সাথে বাংলায় সঠিক উচ্চারণ লিপিবদ্ধ করেছেন।
কুরআনের বাণী ও আমাদের করণীয়- কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
কুরআনের মর্মবাণী উপলব্ধি করে তা নিজের জীবনে প্রয়োগ করার তাগিদ অনুভব করে সর্বস্তরের মানুষের নিকট সহজ সরল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন লেখক এই বইটিতে। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ জীবন ও ইসলামের মৌলিক বিষয়বস্তুর আংশিক এই পুস্তকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
ক্রীতদাস থেকে সাহাবী- এ.জেড.এম. শামসুল আলম
ক্রীতদাস সাহাবীরা আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কত প্রিয় ছিলেন, তার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যাবে এই গ্রন্থে। মহানবীর কয়েকজন মুক্ত দাসদাসী সাহাবীর বাস্তব কাহিনি উল্লেখ করা হলো, যা অলৌকিক কাহিনিকে হার মানায়। বর্তমান কালের সঠিক অবক্ষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাসূল (সা.)-এর সাহাবীদের জীবনকাহিনি চর্চা যত বেশি হয়, ততই আমাদের জন্যে কল্যাণকর।
চরিত্র গঠনে নামাজের ভূমিকা- ইঞ্জিনিয়ার ফিরোজ আহমাদ
মানুষের অতি মূল্যবান সম্পদ হলো চরিত্র। চরিত্র সংশোধনে উদ্যোক্তার অভাব। লেখক এ গ্রন্থে চরিত্র গঠনের জন্য সমাজের ভ‚মিকা কীভাবে কার্যকর করা প্রয়োজন তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। কুরআন, হাদীস ও নামাজের মাধ্যমে চরিত্র গঠনের জন্য চমৎকার উপকরণ এ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।
চলার পথে ইসলাম- কাজী মোঃ মোরতুজা আলী
ব্যক্তি ও সমাজজীবনে চলার জন্য ইসলাম আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে। মুয়ামালাত ও মুয়াশারাতের ক্ষেত্রে ইসলাম আমাদের কী পথ বাতলে দিয়েছে, তা লেখক এ গ্রন্থে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের তরুণ প্রজন্ম জীবনাচরণে, কথা-কাজে, আদব-কায়দায়, নীতি-নৈতিকতায়, জবাবদিহিতায় কীভাবে একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে নিজেদের তৈরি করবে, তার সুন্দর ও সার্বিক দিকনির্দেশনা রয়েছে বইটিতে।