মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
কিয়ামতের পূর্ববর্তী আলামত, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর পাঠক চাহিদার প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। দুনিয়ায় আমাদের একটি বড় কর্তব্য হলো মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা এবং আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহ করা। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর ও উদাসীন। এ উদাসীনতা দূর করার নিমিত্তে এ গ্রন্থের সূচনা।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামায ও যাকাত। মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত পন্থায় নামায আদায়ের নিয়মকানুনসহ প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল, যাকাত ও উশরের খাত, নিসাব ও আদায় করার পদ্ধতি এবং বিধিবিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও আমলে জিন্দেগীর পরিবর্তন সাধনই এ গ্রন্থের লক্ষ্য।
লেখক এ গ্রন্থে যিল-হজ্ব মাসের ফজিলত ও কুরবানি করার যাবতীয় নিয়মপদ্ধতি লিপিবদ্ধ করেছেন, যাতে যিল-হজ্বের প্রথম দশকে বিভিন্ন সুন্নত-নফল ইবাদতের (তাসবীহ, তাহলীল, যিকির-আযকার, নফল রোযা ইত্যাদি) মাধ্যমে যথাযথভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি।
হাদীস আল কুরআনেরই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, আল কুরআনের সংক্ষিপ্ত মৌল নির্দেশনাগুলোর বিস্তারিত প্রায়োগিক রূপ। কুরআন হলো নীতিনির্ধারক, আর হাদীস হলো এর সঠিক বাস্তবায়নের পন্থা। হাদীস ব্যতীত ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। এ গ্রন্থে হাদীসের পরিভাষা, প্রকারভেদ, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, শর্তাবলিসহ বিশদ বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
Reviews
There are no reviews yet.