কিয়ামতের পূর্ববর্তী আলামত, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর পাঠক চাহিদার প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। দুনিয়ায় আমাদের একটি বড় কর্তব্য হলো মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা এবং আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহ করা। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর ও উদাসীন। এ উদাসীনতা দূর করার নিমিত্তে এ গ্রন্থের সূচনা।
এ গ্রন্থে কুরআন-হাদীসের আলোকে পরিবার ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার জন্য মানুষকে দুনিয়ার জীবনযাপন ও জান্নাতমুখী আমলের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাতা-পিতা ও সন্তানের দ্বীনি জিন্দেগীর নানা দিকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে সুবিন্যস্তভাবে অবগত করা হয়েছে।
দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হাতে রোযার বিধান এবং প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই এ গ্রন্থের ক্ষুদ্র আয়োজন। মুমিন জীবনের আত্মশুদ্ধির জন্য রোযার গুরুত্ব, ফজিলত এবং বাস্তব জীবনে রোযা পালনের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
হাদীস আল কুরআনেরই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, আল কুরআনের সংক্ষিপ্ত মৌল নির্দেশনাগুলোর বিস্তারিত প্রায়োগিক রূপ। কুরআন হলো নীতিনির্ধারক, আর হাদীস হলো এর সঠিক বাস্তবায়নের পন্থা। হাদীস ব্যতীত ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। এ গ্রন্থে হাদীসের পরিভাষা, প্রকারভেদ, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, শর্তাবলিসহ বিশদ বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
লেখক এ গ্রন্থে যিল-হজ্ব মাসের ফজিলত ও কুরবানি করার যাবতীয় নিয়মপদ্ধতি লিপিবদ্ধ করেছেন, যাতে যিল-হজ্বের প্রথম দশকে বিভিন্ন সুন্নত-নফল ইবাদতের (তাসবীহ, তাহলীল, যিকির-আযকার, নফল রোযা ইত্যাদি) মাধ্যমে যথাযথভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি।
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
Reviews
There are no reviews yet.