ব্যক্তি ও সমাজজীবনে চলার জন্য ইসলাম আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে। মুয়ামালাত ও মুয়াশারাতের ক্ষেত্রে ইসলাম আমাদের কী পথ বাতলে দিয়েছে, তা লেখক এ গ্রন্থে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের তরুণ প্রজন্ম জীবনাচরণে, কথা-কাজে, আদব-কায়দায়, নীতি-নৈতিকতায়, জবাবদিহিতায় কীভাবে একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে নিজেদের তৈরি করবে, তার সুন্দর ও সার্বিক দিকনির্দেশনা রয়েছে বইটিতে।
সত্ত্বাগতভাবে আল্লাহ তায়ালা একক ও অদ্বিতীয়। সৃষ্টির কোনো বস্তুর সঙ্গে আল্লাহর সত্তার সাদৃশ্য নেই। আল্লাহ তায়ালা বিদ্যমান রয়েছেন, কিন্তু মানুষের মতো তাঁর দেহ নেই। তাঁর অবস্থা মানুষের চিন্তা ও বোধগম্যের ঊর্ধ্বে। গ্রন্থে আল্লাহর পরিচয়, সৃষ্টিকর্ম, ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়সমূহ অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
ক্রীতদাস সাহাবীরা আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কত প্রিয় ছিলেন, তার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যাবে এই গ্রন্থে। মহানবীর কয়েকজন মুক্ত দাসদাসী সাহাবীর বাস্তব কাহিনি উল্লেখ করা হলো, যা অলৌকিক কাহিনিকে হার মানায়। বর্তমান কালের সঠিক অবক্ষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাসূল (সা.)-এর সাহাবীদের জীবনকাহিনি চর্চা যত বেশি হয়, ততই আমাদের জন্যে কল্যাণকর।
লেখক এ গ্রন্থে যিল-হজ্ব মাসের ফজিলত ও কুরবানি করার যাবতীয় নিয়মপদ্ধতি লিপিবদ্ধ করেছেন, যাতে যিল-হজ্বের প্রথম দশকে বিভিন্ন সুন্নত-নফল ইবাদতের (তাসবীহ, তাহলীল, যিকির-আযকার, নফল রোযা ইত্যাদি) মাধ্যমে যথাযথভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামায ও যাকাত। মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত পন্থায় নামায আদায়ের নিয়মকানুনসহ প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল, যাকাত ও উশরের খাত, নিসাব ও আদায় করার পদ্ধতি এবং বিধিবিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও আমলে জিন্দেগীর পরিবর্তন সাধনই এ গ্রন্থের লক্ষ্য।
মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
Reviews
There are no reviews yet.