শফীউদ্দীন সরদার রচিত ‘বুড়ির ঘুড়ি’ ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে শিশু-কিশোরের মনে আদর্শ শিক্ষার আভা প্রস্ফুটিত করতে গ্রন্থে প্রয়াস চালিয়েছেন। তিনি রূপকথার আঙ্গিকে প্রতিটি ছোটগল্প লিখলেও পাঠকের চাহিদা উপযোগী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ‘বুড়ির ঘুড়ি’ শিশু-কিশোর মন আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে মনে করি।
‘সুবাসিত ভোর’ শিশু-কিশোরদের উপযোগী একটি গল্পগ্রন্থ। বর্তমানে শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেওয়ার মতো শিক্ষণীয় গ্রন্থের শূন্যতা পূরণে লেখক এগিয়ে এসেছেন। শুধু বিষয়গুলোই নয়, লেখকের ভাষা, ভঙ্গি এবং উপস্থাপনা কৌশলে রয়েছে চমৎকার নৈপুণ্য। এ গ্রন্থের প্রতিটি গল্পই শিক্ষণীয়। তিনি তাঁর প্রতিটি গল্পের বিষয়বস্তুকে সহজ, সরল ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন।
শিশু মনস্তত্ত্বের প্রতি যত্নশীল এবং একই সাথে দেশ, সমাজ, ধর্ম, সংস্কৃতিকে যত্নের সাথে শিশুদের সামনে পরিবেশন করার চমৎকার এক আয়োজন এ বই। শুরু থেকেই শিশুমনে মানবিকতা, মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং ধর্ম ও সমাজকে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এ কাজটি করতে হয় পরিপূর্ণ নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে। কবি এ বইতে অপূর্ব দক্ষতাই শুধু প্রদর্শন করেননি, সেই সাথে মমতাও ঢেলে দিয়েছেন এর পরতে পরতে।
এ গ্রন্থ শিশু-কিশোরদের জন্যে লেখা রাসূলের জীবনের খণ্ড চিত্রের গল্পকথা। রাসূলের জীবনীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কতই-না সুন্দর সুন্দর সত্য গল্প-কাহিনি। এগুলো যদি গল্পের মতো করে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া যায় তাহলে তারা শিখবে, জানবে এবং মানুষ হবে। সর্বোপরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। এমনই চিন্তা থেকে ‘ব্যর্থ হলো জাদুর আঘাত’ লেখার প্রচেষ্টা।
লেখক এই গ্রন্থে শিশু-কিশোরদের জীবন গঠনে, তাদের মানুষ হবার স্বপ্ন সফল করতে জ্ঞানের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করার মাধ্যমে শিশুদের প্রেরণা শক্তি সাহস জুগিয়েছেন। শিশুরা তাদের মেধা, দক্ষতা ও কর্মের মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধ দেশ গড়তে উদ্বুদ্ধ হবে। এটি শিশু-কিশোরদের মহৎ জীবন গঠনে সহায়ক একটি গ্রন্থ।
‘স্বপ্নের ঠিকানা’ গ্রন্থটি জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’-এ প্রত্যয়ে উদ্বুদ্ধ করবে আমাদের তারুণ্যকে, যা তাদের দেবে আলোকিত পথের দিশা। লেখক অনেক স্মৃতিময় ঐতিহাসিক ঘটনার বৃত্ত এঁকে শিক্ষামূলক অজানা কাহিনির আড়ালে এঁকেছেন দেশ ও জাতিকে গড়ার স্বপ্ন। বিবৃত করেছেন নানান জানা অজানা প্রেক্ষাপট।
Reviews
There are no reviews yet.