লেখক এই গ্রন্থে শিশু-কিশোরদের জীবন গঠনে, তাদের মানুষ হবার স্বপ্ন সফল করতে জ্ঞানের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করার মাধ্যমে শিশুদের প্রেরণা শক্তি সাহস জুগিয়েছেন। শিশুরা তাদের মেধা, দক্ষতা ও কর্মের মাধ্যমে আগামীর সমৃদ্ধ দেশ গড়তে উদ্বুদ্ধ হবে। এটি শিশু-কিশোরদের মহৎ জীবন গঠনে সহায়ক একটি গ্রন্থ।
শিশু মনস্তত্ত্বের প্রতি যত্নশীল এবং একই সাথে দেশ, সমাজ, ধর্ম, সংস্কৃতিকে যত্নের সাথে শিশুদের সামনে পরিবেশন করার চমৎকার এক আয়োজন এ বই। শুরু থেকেই শিশুমনে মানবিকতা, মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং ধর্ম ও সমাজকে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এ কাজটি করতে হয় পরিপূর্ণ নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে। কবি এ বইতে অপূর্ব দক্ষতাই শুধু প্রদর্শন করেননি, সেই সাথে মমতাও ঢেলে দিয়েছেন এর পরতে পরতে।
‘স্বপ্নের ঠিকানা’ গ্রন্থটি জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’-এ প্রত্যয়ে উদ্বুদ্ধ করবে আমাদের তারুণ্যকে, যা তাদের দেবে আলোকিত পথের দিশা। লেখক অনেক স্মৃতিময় ঐতিহাসিক ঘটনার বৃত্ত এঁকে শিক্ষামূলক অজানা কাহিনির আড়ালে এঁকেছেন দেশ ও জাতিকে গড়ার স্বপ্ন। বিবৃত করেছেন নানান জানা অজানা প্রেক্ষাপট।
এ গ্রন্থ শিশু-কিশোরদের জন্যে লেখা রাসূলের জীবনের খণ্ড চিত্রের গল্পকথা। রাসূলের জীবনীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে কতই-না সুন্দর সুন্দর সত্য গল্প-কাহিনি। এগুলো যদি গল্পের মতো করে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেয়া যায় তাহলে তারা শিখবে, জানবে এবং মানুষ হবে। সর্বোপরি সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। এমনই চিন্তা থেকে ‘ব্যর্থ হলো জাদুর আঘাত’ লেখার প্রচেষ্টা।
লেখক ১৯৭৭ সালে পবিত্র হজ্বব্রত সম্পাদন করেন। হজ্ব করে ফিরে আসার পর মক্কা, মদীনা ও জেদ্দার পটভূমিতে হজ্ব, তাওয়াফ ও অন্যান্য বিবরণসহ নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার উপকরণ নিয়ে এ গ্রন্থটি রচনা করেন। মক্কা, মদীনায় অবস্থানকালে লেখকের ছোটবোন পুত্র মালিক মুরাদ হোসেন দীপের দৃষ্টিভঙ্গিতে উপন্যাসের আমেজে ‘স্বপ্নের দেশ নবীর দেশ’ ভ্রমণকাহিনি পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।
‘পশু-পাখীর গল্প-১’ নামক গ্রন্থটিতে দশটি গল্প স্থান দিয়েছি। গল্পগুলো সমৃদ্ধ ফার্সি সাহিত্য থেকে নেওয়া হয়েছে। এগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও শিক্ষণীয় করে কিশোর-কিশোরীদের জন্য বাছাই ও ভাষান্তর করা হয়েছে। ‘পারস্য প্রতিভা’ বলে জগৎখ্যাত লেখকরা শিশু-কিশোরদের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্যেই এসব গল্প রচনা করেছিলেন।
Reviews
There are no reviews yet.