শ্রেষ্ঠ ফররুখ-ফররুখ আহমাদ
ফররুখ আহমদের সৃষ্টিসম্ভার বাংলা সাহিত্যকে আরো বৈচিত্র্যময় ও সমৃদ্ধ করে তোলে। বাংলা সাহিত্যে তাঁর রচনা বহুমাত্রিকতায় সুবিন্যস্ত। তাঁর রচনাবলির বৃহদাংশ এখনো অগ্রন্থিত। তাঁর অনেক রচনা এখনো লোকচক্ষুর অন্তরালেই রয়ে গেছে। এই অনুভব থেকেই ‘শ্রেষ্ঠ ফররুখ’ গ্রন্থের পথচলা। এতে ফররুখ আহমদের এমন সব রচনা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা সম্পাদকের বিবেচনায় তাঁর সৃষ্টিসম্ভারের সবচেয়ে অনিন্দ্য ফসল।
ষড়ঋতুর বাংলাদেশ-শরীফ আবদুল গোফরান
ছয় ঋতুর আবর্তন বাংলাদেশকে বৈচিত্র্যময় করে তোলে। গ্রীষ্মের দাবদাহ, বর্ষার সজল মেঘের বৃষ্টি, শরতের আলো- ঝলমল স্নিগ্ধ আকাশ, হেমন্তের ফসলভরা মাঠ, শীতের শিশিরভেজা সকাল আর বসন্তের মন-মাতানো সৌরভ বাংলার প্রকৃতি ও জীবনে আনে বৈচিত্র্যের ছোঁয়া। লেখক শিশু-কিশোরদের উপযোগী করে এমন চমকপ্রদ বিষয় এ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।
সদাচার শিষ্টাচার আদব কেতা-মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান
শিষ্টাচার মানুষকে সংযমী ও বিনয়ী করে তোলে। এমন মানুষকে সবাই শ্রদ্ধা করে। ইসলামে আদব শিষ্টাচার ও সৌজন্যতাকে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছে। শিষ্টাচারের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্র, ভালো ব্যবহার ও পরিমিত ব্যয় বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করা নবুয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ।” (আবু দাউদ : ৪৭৭৬)। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, “তুমি আদব ও শিষ্টাচার অন্বেষণ কর । কারণ আদব হলো বুদ্ধির পরিপূরক, ব্যক্তিত্বের প্রমাণ, নিঃসঙ্গতায় ঘনিষ্ঠ সহচর, প্রবাস জীবনের সঙ্গী এবং অভাবের সময়ে সম্পদ।” (ইসবাহানি, মুনতাখাব; সাফারিঈনি, গিযাউল আলবাব : ১/৩৬-৩৭)।
সমাজে শিষ্টাচারের অভাব নৈতিক অবক্ষয়কে ত্বরান্বিত করে। সমাজ জীবন হয়ে ওঠে অশান্ত। নানা কদর্যতা, অন্যায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ফলে সমাজে বসবাসকারী মানুষরা ভোগে অস্তিত্বের সঙ্কটে। শিষ্টাচারহীনতা একটি দেশ ও জাতির উন্নয়নের অন্তরায়। এ উপলব্ধি থেকে মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ‘সদাচার শিষ্টাচার আদব কেতা’ গ্রন্থটি রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। তিনি সুন্দর আচরণ প্রকাশের অনন্য কলাকৌশল হিসেবে শিষ্টাচারকে নানা আঙ্গিকে নানা রূপে আলোকপাত করেছেন।
সাতটি আইনে প্রি-এমশন- মো: আব্দুল্লাহেল ওয়াফী খান (লবন)
লেখক বিভিন্ন আইনে প্রি-এমশন বা অগ্রক্রয়ের আইন বিদ্যমান বা প্রচলিত রয়েছে, তা সুবিন্যস্তভাবে বইটিতে উপস্থাপন করেছেন। এ গ্রন্থে মুসলিম আইনে প্রি-এমশন, ১৮৯৩ সালের বাঁটোয়ারা আইন, ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ সালের জমিদারী উচ্ছেদ আইন, ১৯৮৪ সালের ভ‚মি সংস্কার অধ্যাদেশ, ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং ১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনসমূহ কোনো ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য হবে, তার বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।
সীরাতে রাহমাতুল্লিল আলামীন-সম্পাদক.আ.ই.ম. নেছার উদ্দিন
“তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ্ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহ্কে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্যে তো রাসূলুল্লাহ মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” সূরা আহযাব : ২১। মহান আল্লাহ তা’য়ালা এ আয়াতের একাংশে তাঁর সাক্ষাত ও আখিরাতের আকাঙ্ক্ষাকে রাসূল (সা.)-এর জীবনের আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন । এ থেকেই বুঝা যায়, আল্লাহ তা’য়ালা রাসূল (সা.)-এর জীবনীকে এবং এর আদর্শকে এত বিশাল গুরুত্ব দিলেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি, তাঁর সাক্ষাত ও আখিরাতের মুক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনী জানা ও মানার মধ্যে নিহিত রয়েছে।
বিদায় হজে রাসূল (সা.) বলেছিলেন, ‘তোমরা কষ্মিনকালেও পথভ্রষ্ট হবে না, যদি এই দুটি জিনিসকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরতে পারো। তা হলো আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাত’। এই হাদিসে আল্লাহর কিতাব তথা কুরআনের পর আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাত আঁকড়ে ধরতে বলা হয়েছে। সুন্নাত হলো রাসূল (সা.)-এর জীবনাদর্শ। এই আদর্শ আমরা পাবো রাসূল (সা.)-এর জীবনচরিত্রে ও হাদিসে। তাই রাসূল (সা.)-এর সমগ্র জীবনী জানা, মানা এবং সেই আদর্শে জীবন পরিচালিত করা প্রতিটি মুমিনের জন্য অপরিহার্য।
‘সিরাতে রাহমাতুল্লিল আলামীন’ গ্রন্থটি রাসূল (সা.)-এর জীবনচরিত্রে বিভিন্ন দিক নিয়ে লিপিবদ্ধ একটি প্রবন্ধ সংকলন। এতে অনেক প্রথিতযষা ও প্রাজ্ঞ লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে।