আধ্যাত্মিক সিলসিলায় নিবেদিত অনুসারীরা কীভাবে জীবনবাজি রাখে তার ঐতিহাসিক দলিল এই বই। রুহানী সিলসিলায় দীক্ষিত ইমাম শামিল জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে চেচনিয়া এবং দাগিস্তানের নিপীড়িত মুসলমানদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর রক্তঝরা সংগ্রামের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়।
ঢাকার নওয়ার পরিবার তথা খাজা পরিবারের দুজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব খাজা শামসুল হক ও খাজা মওদুদ এবং তাদের পরিবারের ঘনিষ্ঠজন কাজী আবদুল কাইউমের লেখা বিভিন্ন সময়ের দিনপঞ্জি এবং ডায়েরি থেকে তথ্য সংগ্রহ করে এ গ্রন্থ লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। গ্রন্থে ১৯০৪ থেকে ১৯৩০ সালে ঘটনাবলির মাধ্যমে তৎকালীন ঢাকার সমাজ ও সংস্কৃতি বিশদভাবে রচিত হয়েছে।
এ গ্রন্থে লেখক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান করেছেন এ ভূখন্ডের অতীত ইতিহাসের গভীরে। বাঙালির ইতিহাস ও ঐহিত্যের প্রবহমান মূলধারায় তিনি নির্দেশ করেছেন বাংলাদেশের উৎসস্থলকে। বাঙালির ইতিহাস নিয়ে আজও অনুসন্ধিৎসার বিরাম নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর এ প্রচেষ্টা আশাপ্রদভাবে ক্রমবর্ধমানতার প্রয়াস এই গ্রন্থে নিহিত।
বাংলা ভাষায় প্রথম সাহিত্যকর্ম চর্যাপদ। গিয়াসুদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত বাঙ্গালী কবি কৃত্তিবাস তাঁর রামায়ণ রচনা করেন বাঙ্গালী মন নিয়ে। পরবর্তীতে ইলিয়াস শাহী বংশের শাসক রুকনউদ্দিন বারবাক শাহ এবং তাঁর পুত্র ইউসুফ শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় মালধর বসু (গুনরাজ খাঁ) রচনা করেন ‘শ্রীকৃষ্ণ বিজয়’ কাব্য। এটিই বাংলা ভাষায় প্রথম অব্রাহ্মণের রচনা। এ গ্রন্থে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম শাসকদের অবদান আলোকপাত করা হয়েছে।
বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল নজরুল-রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখন বইছে প্রচন্ড বৈরী বাতাস। এই বিষাক্ত বৈরী বাতাসে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে। জনমনে রয়েছে নানা বিভ্রান্তি। জাতির বিভ্রান্তি নিরসনে এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক হাওয়া রুখে দাঁড়ানোর তাড়না থেকে এ গ্রন্থের অবতারণা।
Reviews
There are no reviews yet.