১৯৩২ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সক্রিয় কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে এসে তিনি মানবচরিত্র নিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন তাই তুলে ধরেছেন এই বইটিতে। এই বাষট্টি বৎসরে আমাদের সমাজে যে পরিবর্তন এসেছে, মন মানসিকতার যে রূপান্তর ঘটেছে জীবনের মূল্যবোধে, তারই চিত্র অংকন করেছেন লেখক, পাঠক সমাজের জন্য। এগুলো বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে আনাগোনার ফলস্বরূপ তার ব্যক্তিগত উপলব্ধি।
নাট্য আন্দোলনের ইতিহাস বহু পুরানো। কেউ কেউ দাবি করছে ১৯৭১-এর পর এদেশে নাটকের জন্ম। ১৯৫০ সাল থেকে ঢাকার মঞ্চ ও বেতারে নাটকের ব্যাপক প্রচলন ছিল। সে সময় থেকে দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে সন-তারিখ তুলে ধরে ‘বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে ইতিহাস’ বইটি রচিত হয়েছে।
বিশ্বের সমস্ত জ্ঞানতাত্ত্বিক ও মতাদর্শভিত্তিক জ্ঞানশৃঙ্খলার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যেই আল কোরআনের আবির্ভাব। আল্লাহর সাথে অংশীবাদ সাব্যস্তকারীদের মনের জ্বালা বাড়লেও ইসলামী এপিস্টোমেলজিই বিজয়ী থাকবে। সেজন্য কুরআন ও সুন্নাহর মিলিত প্রজ্ঞাপ্রবাহের মাধ্যমে বিশ্বে জ্ঞানতাত্ত্বিক শ্রেষ্ঠত্ব বিনির্মিত হতে পারে। ‘ইসলাম ও জ্ঞানতত্ত্ব’গ্রন্থে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে প্রতিভাধর কালজয়ী এক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত স্বতন্ত্র কবি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ভাব-ভাষা, ছন্দ, রূপক উপমা প্রতীকের নৈপুণ্যময় ব্যবহারে তিনি এ স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করেছেন। সমকালে এবং পরবর্তীকালেও তাঁর সম্পর্কে যাঁরা আলোচনা করেছেন, তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো নিয়েই ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য-(১ম খন্ড ও ২য় খন্ড) সম্পাদিত হয়েছে।
মুসলিম শাসনামলে বাংলা ভাষার নবজন্ম ঘটে, বাংলা সাহিত্যের চর্চা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সাহিত্য যে ঐতিহাসিক বাস্তবতার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করে এক স্বাধীন জাতি ও সমৃদ্ধ সাহিত্যের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারই নানান প্রয়াস এ গ্রন্থে নিহিত রয়েছে।
ইসলামী মূল্যবোধ থেকে বিচ্যুত হয়ে বিজাতীয় দর্শন অনুকরণ-অনুসরণে বিভ্রান্ত জাতিতে পরিণত হয়েছে মুসলিমরা। এমনই অসহনীয় পরিণতি থেকে আমাদের নিজস্ব স্বকীয়তা ফিরিয়ে আনতে যারা অবিরাম প্রচেষ্টায় লিপ্ত, তাদের একজন মোঃ এনামুল হক। মূল্যবোধ অবক্ষয়ের উন্মাতাল হাওয়া রুখে দাঁড়ানোর জন্যই এই গ্রন্থের অবতারণা।
Reviews
There are no reviews yet.