দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হাতে রোযার বিধান এবং প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই এ গ্রন্থের ক্ষুদ্র আয়োজন। মুমিন জীবনের আত্মশুদ্ধির জন্য রোযার গুরুত্ব, ফজিলত এবং বাস্তব জীবনে রোযা পালনের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
ব্যক্তি ও সমাজজীবনে চলার জন্য ইসলাম আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে। মুয়ামালাত ও মুয়াশারাতের ক্ষেত্রে ইসলাম আমাদের কী পথ বাতলে দিয়েছে, তা লেখক এ গ্রন্থে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের তরুণ প্রজন্ম জীবনাচরণে, কথা-কাজে, আদব-কায়দায়, নীতি-নৈতিকতায়, জবাবদিহিতায় কীভাবে একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে নিজেদের তৈরি করবে, তার সুন্দর ও সার্বিক দিকনির্দেশনা রয়েছে বইটিতে।
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
লেখক সর্বস্তরের মানুষের জন্য বোধগম্য ও সহজলভ্য করে কুরআন-হাদীসের আলোকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নামাজ ও জরুরী দুআ সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। নামায পড়ার নিখুঁত পদ্ধতি এবং আল্লাহর রাসূল (সা.) কীভাবে নামাজ পড়তেন, সে সম্পর্কে বইটিতে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।
এ গ্রন্থে কুরআন-হাদীসের আলোকে পরিবার ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার জন্য মানুষকে দুনিয়ার জীবনযাপন ও জান্নাতমুখী আমলের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাতা-পিতা ও সন্তানের দ্বীনি জিন্দেগীর নানা দিকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে সুবিন্যস্তভাবে অবগত করা হয়েছে।
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। যে দেশের শতকরা পঁচাত্তর ভাগের অধিক মানুষ রমজানের রোজা রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, সে দেশ সত্যিকার অর্থেই একটি ঐশ্বর্যশালী দেশ। তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ কায়েম করতে হবে। এ গ্রন্থের পরতে পরতে সমাজ বিনির্মাণে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.