গল্পগুলোতে জীবনের নানাভঙ্গিমা আছে, আছে নানান ব্যঞ্জনা। হতাশার সমুদ্রে ডুবতে ডুবতে নীল আসমানের নবচন্দ্রের হাতছানিও এঁকেছেন। প্রতিটি লেখার মধ্যে জীবনের লক্ষ্য, সুর ও লাবণ্যকে স্পর্শ করা যায়। জীবনে বাস্তবতার মাঝে কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহের ছায়াপাত আছে। আবার আলোকে অন্ধকারে নিয়ে যাননি।
সাতসতেরো’ গ্রন্থ সতেরোটি বৈচিত্র্যপূর্ণ গল্পের সন্নিবেশ। গ্রন্থের সব কটি গল্পই আত্মজৈবনিক। কল্পনার হালকা প্রলেপ খুঁজে পাওয়া যাবে কোনো কোনো গল্পে। তাঁর কিছু কিছু গল্প সাধু ভাষায় লিখিত। উর্দু, আরবী ও ফার্সী শব্দের ব্যবহার এবং আঞ্চলিক শব্দের প্রতি লেখকের বিশেষ আকর্ষণ এসব রচনায় সুস্পষ্ট।
‘ছড়া পড়ি জীবন গড়ি’ কবি মাহমুদুল হাসান নিজামীর নীতিকথার ছড়াগ্রন্থ। তিনি শিশু-কিশোরদের জন্য আদেশ, উপদেশ ও শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ ছন্দ, উপমা ও নান্দনিক অন্ত্যমিলের মাধ্যমে প্রতিটি ছড়ার পরতে পরতে ফুটিয়ে তুলেছেন। শিশুদের আচার-ব্যবহার, পোশাক সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাস, স্বভাব-চরিত্র, ভালো ও মন্দ কাজের পরিণাম ইত্যাদি বিষয়গুলো এ গ্রন্থে নিহিত আছে।
এই গ্রন্থে আলোচিত সমালোচিত সমস্যাগুলি আপাতদৃষ্টিতে সাময়িক মনে হলেও সমস্যাগুলি বহুযুগ ধরে চলে আসছে এবং মানুষের দুঃখ দুর্দশার কারণ হওয়ায় এগুলো জাতীয় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রবন্ধগুলিতে আমাদের দেশের মানুষের মেধা ও মননশীলতার দৈন্যতা এবং মানসিক বিভ্রান্তির প্রবণতাকে জনসমক্ষে তুলে ধরা হয়েছে। সমসাময়িক সমস্যার কথা বলতে গিয়ে লেখক তাঁর অপূর্ব রচনাশৈলীর মাধ্যমে দেশবাসীর মন-মানসিকতার চমৎকার বিশ্লেষণ করেছেন।
অবিভক্ত বাংলার অবিসাংবাদিত নেতা আবুল কাশেম ফজলুল হক যিনি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নামেই পরিচিত। ছোটবেলা থেকেই তিনি অসামান্য মেধাবী ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার জন্য ছিলেন সুপরিচিত। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের প্রথম মুসলিম মেয়র। তিনি ছিলেন পূর্ব পাকিস্থানের মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্থানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্থানের গভর্নর। তিনি সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। আপোষহীন ন্যায়নীতি, অসামান্য বাকপটুতা আর সাহসীকতার কারণে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত ছিলেন শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) নামে। সর্বভারতীয় রাজনীতির পাশাপাশি গ্রাম বাংলা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিজের জীবনের মূল্যবান সময় উৎসর্গ করেছিলেন।
Reviews
There are no reviews yet.