মৃত্যুর আগে পরে’ গ্রন্থে মানবজীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়েছে। আল্লাহর সাথে সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকারের ভিত্তিতে মানুষ পৃথিবীতে আসে তাঁর ইবাদত ও খেলাফতের দায়িত্বপালনের উদ্দেশ্যে। কিয়ামতে দুনিয়ার জীবনের কর্মকান্ডে চুড়ান্ত হিসাব শেষে সে চিরস্থায়ী সুখের আবাসগৃহ জান্নাতে অথবা অন্তহীন দুঃখের আবাস জাহান্নামে যাবে। এ গ্রন্থে সেই বিষয়সমূহের ইঙ্গিত রয়েছে।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ও কালজয়ী শাশ্বত আদর্শের নাম। এর ব্যাপ্তি মানুষের জীবনের প্রতিটি অংশে। আর সে সমস্ত অংশজুড়ে রয়েছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস বিশাল সমুদ্রসমেত পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর মধ্যে। এ সব দিক বিবেচনা করেই নির্বাচিত কুরআন-হাদীসের ‘পথ ও পাথেয়’রচিত হয়েছে।
মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
এ গ্রন্থে কুরআন-হাদীসের আলোকে পরিবার ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার জন্য মানুষকে দুনিয়ার জীবনযাপন ও জান্নাতমুখী আমলের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাতা-পিতা ও সন্তানের দ্বীনি জিন্দেগীর নানা দিকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে সুবিন্যস্তভাবে অবগত করা হয়েছে।
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। যে দেশের শতকরা পঁচাত্তর ভাগের অধিক মানুষ রমজানের রোজা রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, সে দেশ সত্যিকার অর্থেই একটি ঐশ্বর্যশালী দেশ। তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ কায়েম করতে হবে। এ গ্রন্থের পরতে পরতে সমাজ বিনির্মাণে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হাতে রোযার বিধান এবং প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই এ গ্রন্থের ক্ষুদ্র আয়োজন। মুমিন জীবনের আত্মশুদ্ধির জন্য রোযার গুরুত্ব, ফজিলত এবং বাস্তব জীবনে রোযা পালনের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.