মানুষের অতি মূল্যবান সম্পদ হলো চরিত্র। চরিত্র সংশোধনে উদ্যোক্তার অভাব। লেখক এ গ্রন্থে চরিত্র গঠনের জন্য সমাজের ভ‚মিকা কীভাবে কার্যকর করা প্রয়োজন তা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। কুরআন, হাদীস ও নামাজের মাধ্যমে চরিত্র গঠনের জন্য চমৎকার উপকরণ এ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছেন।
এ গ্রন্থে কুরআন-হাদীসের আলোকে পরিবার ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার জন্য মানুষকে দুনিয়ার জীবনযাপন ও জান্নাতমুখী আমলের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাতা-পিতা ও সন্তানের দ্বীনি জিন্দেগীর নানা দিকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে সুবিন্যস্তভাবে অবগত করা হয়েছে।
ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামায ও যাকাত। মহানবী (সা.)-এর প্রদর্শিত পন্থায় নামায আদায়ের নিয়মকানুনসহ প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল, যাকাত ও উশরের খাত, নিসাব ও আদায় করার পদ্ধতি এবং বিধিবিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন ও আমলে জিন্দেগীর পরিবর্তন সাধনই এ গ্রন্থের লক্ষ্য।
মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হাতে রোযার বিধান এবং প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই এ গ্রন্থের ক্ষুদ্র আয়োজন। মুমিন জীবনের আত্মশুদ্ধির জন্য রোযার গুরুত্ব, ফজিলত এবং বাস্তব জীবনে রোযা পালনের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.