হাদীস আল কুরআনেরই ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, আল কুরআনের সংক্ষিপ্ত মৌল নির্দেশনাগুলোর বিস্তারিত প্রায়োগিক রূপ। কুরআন হলো নীতিনির্ধারক, আর হাদীস হলো এর সঠিক বাস্তবায়নের পন্থা। হাদীস ব্যতীত ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। এ গ্রন্থে হাদীসের পরিভাষা, প্রকারভেদ, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা, শর্তাবলিসহ বিশদ বর্ণনা ফুটে উঠেছে।
লেখক এ গ্রন্থে যিল-হজ্ব মাসের ফজিলত ও কুরবানি করার যাবতীয় নিয়মপদ্ধতি লিপিবদ্ধ করেছেন, যাতে যিল-হজ্বের প্রথম দশকে বিভিন্ন সুন্নত-নফল ইবাদতের (তাসবীহ, তাহলীল, যিকির-আযকার, নফল রোযা ইত্যাদি) মাধ্যমে যথাযথভাবে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারি।
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। যে দেশের শতকরা পঁচাত্তর ভাগের অধিক মানুষ রমজানের রোজা রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, সে দেশ সত্যিকার অর্থেই একটি ঐশ্বর্যশালী দেশ। তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ কায়েম করতে হবে। এ গ্রন্থের পরতে পরতে সমাজ বিনির্মাণে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান ও কালজয়ী শাশ্বত আদর্শের নাম। এর ব্যাপ্তি মানুষের জীবনের প্রতিটি অংশে। আর সে সমস্ত অংশজুড়ে রয়েছে জ্ঞান-বিজ্ঞানের উৎস বিশাল সমুদ্রসমেত পবিত্র কুরআন-সুন্নাহর মধ্যে। এ সব দিক বিবেচনা করেই নির্বাচিত কুরআন-হাদীসের ‘পথ ও পাথেয়’রচিত হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.