মানুষের মৃত্যুর পর অনন্ত জীবনের নামই হলো আখেরাত। আখেরাতের এ পথপরিক্রমা দুনিয়ার জীবন থেকেই শুরু হয়ে গেছে। এ গ্রন্থে লেখক দুনিয়া ও আখেরাতের জীবনের পথপরিক্রমাকে অতি সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা মুমিন ও কাফিরদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নিরূপণ করা সহজ হবে। সে আখেরাতের চিত্রের মাধ্যমে একজন মানুষ নির্ণয় করতে পারবে তার আসল ঠিকানা কী? এই দুনিয়ায় তাকে কেন পাঠানো হয়েছে?
ব্যক্তি ও সমাজজীবনে চলার জন্য ইসলাম আমাদেরকে পথ দেখিয়েছে। মুয়ামালাত ও মুয়াশারাতের ক্ষেত্রে ইসলাম আমাদের কী পথ বাতলে দিয়েছে, তা লেখক এ গ্রন্থে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। আমাদের তরুণ প্রজন্ম জীবনাচরণে, কথা-কাজে, আদব-কায়দায়, নীতি-নৈতিকতায়, জবাবদিহিতায় কীভাবে একজন আদর্শবান মানুষ হিসেবে নিজেদের তৈরি করবে, তার সুন্দর ও সার্বিক দিকনির্দেশনা রয়েছে বইটিতে।
ডা. জাকির নায়েক রচিত ‘দ্য কুরআন অ্যান্ড সাইন্স’-এর বাংলা অনুবাদ ‘কুরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান’। বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাষ্ট্রীয় পরিন্ডলে মহাগ্রন্থ আল-কুরআনেরই বিস্ময়কর আলোকচ্ছটার বিচ্ছুরণ ঘটাবে এ গ্রন্থের শিক্ষা থেকে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পাঠকসমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক খোরাকের প্রয়োজনে এ গ্রন্থটি অনুবাদ করা হয়েছে।
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। যে দেশের শতকরা পঁচাত্তর ভাগের অধিক মানুষ রমজানের রোজা রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, সে দেশ সত্যিকার অর্থেই একটি ঐশ্বর্যশালী দেশ। তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ কায়েম করতে হবে। এ গ্রন্থের পরতে পরতে সমাজ বিনির্মাণে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
লেখক সর্বস্তরের মানুষের জন্য বোধগম্য ও সহজলভ্য করে কুরআন-হাদীসের আলোকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নামাজ ও জরুরী দুআ সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। নামায পড়ার নিখুঁত পদ্ধতি এবং আল্লাহর রাসূল (সা.) কীভাবে নামাজ পড়তেন, সে সম্পর্কে বইটিতে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।
সত্ত্বাগতভাবে আল্লাহ তায়ালা একক ও অদ্বিতীয়। সৃষ্টির কোনো বস্তুর সঙ্গে আল্লাহর সত্তার সাদৃশ্য নেই। আল্লাহ তায়ালা বিদ্যমান রয়েছেন, কিন্তু মানুষের মতো তাঁর দেহ নেই। তাঁর অবস্থা মানুষের চিন্তা ও বোধগম্যের ঊর্ধ্বে। গ্রন্থে আল্লাহর পরিচয়, সৃষ্টিকর্ম, ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়সমূহ অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
Reviews
There are no reviews yet.