ফিলিস্তিনে মানবতার কান্না- অধ্যাপক মো: ছফিউল্লাহ মাহমুদী
১৯৪৭ সালে ফিলিস্তিনিরা তাদের দেশটির ৯৪ শতাংশের মালিক ছিলো। আর জনসংখ্যা ছিল ৬৭ শতাংশ। ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ ম্যান্ডেট অথবা আদেশপত্র শেষ হওয়ার আগেই ইহুদি রাষ্ট্রের সম্প্রসারণে ফিলিস্তিনি শহর ও গ্রাম ধ্বংস করতে একটি সামরিক অভিযান শুরু করেছিল। ১৯৪৭ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত ৫০০টিরও বেশি ফিলিস্তিনি গ্রাম শহর ধ্বংস করা হয়েছিল। এই গণহত্যায় কমপক্ষে ১৫ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছিলেন। ইহুদিরা সে সময় ফিলিস্তিনের ৭৮ শতাংশ দখল করেছিল। আর অবশিষ্ট ২২ শতাংশ বর্তমানে অধিকৃত পশ্চিম তীর ও অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা।
ফিলিস্তিন তার জন্মভূমি পুনরুদ্ধারের অধিকার ও মুসলিম উম্মাহ'র প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসা রক্ষার জন্য ৭৫ বছরের বেশি সময় ধরে রক্ত ও জীবন দিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে আসছে। গত বছর থেকে গাজায় নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল। যার ফলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজারের অধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন! তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী ও শিশু। আহত হয়েছে লক্ষাধিক মানুষ। গাজার ২০ লক্ষের বেশি মানুষ আজ উদ্বাস্তু। এখনো মানবতার চরম বিপর্যয় ঘটিয়ে গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল, যা বর্বরতার অবিস্মরণীয় নজির। বিশ্ববিবেক আজ অন্ধ । স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এই বর্বরতার শেষ কোথায়? এভাবেই কি মানবতা বিপন্ন হতে থাকবে? ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধের এমন সব অজানা প্রশ্নের উত্তর মিলবে অধ্যাপক মোঃ ছফিউল্লাহ মাহমুদী রচিত 'ফিলিপ্তিনে মানবতার কান্না' বইয়ে।
ফুলে ফুলে প্রজাপতি – শরীফ আবদুল গোফরান
ফুলে ফুলে প্রজাপতি – শরীফ আবদুল গোফরান ১২০/- ৩২ পৃ.
ফুলের হাসি- ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস
ফুলের হাসি- ডা. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস ১২০/- ৪০ পৃ.
ফেরারী বসন্ত- খোন্দকার মাহ্ফুজুল হক
প্রথম প্রকাশ: সর্বশেষ প্রকাশ: মূল্য: ১৮০ পৃষ্ঠা: ৮০
বড় মানুষের গল্প-শরীফ আব্দুল গোফরান
যুগে যুগে প্রদীপ্ত সূর্যের আলোকচ্ছটা নিয়ে আবির্ভাব ঘটে বহু মহামনীষীর। যাঁরা জীবনপাত করে জাতিকে জাগরণের জন্য সভ্যতা সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে গেছেন। এমন কয়েকজন মনীষীর জীবন ও অবদানের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরে লেখক গ্রন্থটি রচনা করেছেন। এ গ্রন্থে রচিত জ্যোতিময় জীবনের শিক্ষণীয় ঘটনাবলি আমাদের সন্তানদের জীবনচলার পথকে সহজতর করবে।
বর্ণে বর্ণে সমবায়- আসাদুল্লাহ্
বর্ণে বর্ণে সমবায়- আসাদুল্লাহ্ ৬০/- ৪৮ পৃ.
বলকানে মুসলিম ঐতিহ্যের আবিষ্কার-সুমন মাহমুদ
বলকানে মুসলিম ঐতিহ্যের আবিস্কার গ্রন্থে লেখক সুমন মাহমুদ বলকান অঞ্চলের আলবেনিয়া, কসোভো ও মেসেডোনিয়ার ঐতিহাসিক দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাকৃতিক দিক থেকে আকর্ষণীয় এমন প্রায় পঞ্চাশটি স্থানে ভ্রমণ করে এসব অঞ্চলের সমাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট অবলকন ও পর্যবেক্ষন করে মুসলিম ঐতিহ্যের নানান বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
বাকড়া বিলের বালিহাঁস- মোশাররফ হোসেন খান
গ্রাম বাংলা আর প্রকৃতির আবহে রচিত মোশাররফ হোসেন খান-এর কিশোর উপন্যাস ‘বাঁকড়া বিলের বালিহাঁস’। একজন কিশোরের বিস্ময়ভরা দৃষ্টিতে কৌত‚হল সৃষ্টি করা আর অন্য এক রাজ্যে অবারিত ছুটে চলার আনন্দ জাগবে। তরুণ্যের উদ্দীপনা আর কিশোর মনের ভাবনা দোলা দেবে উপন্যাসের পরতে পরতে।
বাকুম বাকুম- শহীদ সিরাজী
বাকুম বাকুম- শহীদ সিরাজী ১২০/- ৩৮ পৃ.
বাগধারায় বর্ণমালার ছড়া- আবদুল মুকিত চৌধুরী
বইটি শিশুদের প্রাথমিক বর্ণ পরিচয়ে অবশ্যপাঠ্য নয়, সহায়ক বলা যায়। শিশুর জীবন বিকাশে নৈতিকতা, মানবতা ও দেশপ্রেম-বিষয়ক শিক্ষা অপরিহার্য। এ প্রেক্ষিতে ছড়াসমূহে এসব বিষয়ের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছড়া ও ছবিতে এগুলো বর্তমানে যেমন শিশুর জন্য উপভোগ্য এবং আনন্দ ও শিক্ষার উপকরণ হবে, পরিণত জীবনেও সুচিন্তার সহায়ক হবে।
বাদশাহ আমানুল্লাহ খান- ফজলুর রহমান জুয়েল
আন্তজার্তিক দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ, বৃহৎ শক্তিবর্গের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই এসব বাস্তবতার প্রেক্ষাপট নিয়ে লোমহর্ষক এক গোয়েন্দা কাহিনি অবলম্বনে লিখিত ফজলুর রহমান জুয়েল-এর ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘বাদশাহ আমানুল্লাহ খান’। এ উপন্যাসে উপস্থাপিত ঐতিহাসিক ঘটনাবলি সম্পূর্ণ সত্য এবং তথ্যনির্ভর। ইতিহাসকে লেখক কথাসাহিত্যের সুন্দর ফ্রেমে স্থাপন করেছেন অত্যন্ত নৈপুণ্যের সাথে।
বার্নাবাসের বাইবেল- আফজাল চৌধুরী অনূদিত
যারা ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পঠন-পাঠনে আগ্রহী কিংবা বাইবেলের ওপর সম্যক ধারণা লাভ করতে চান, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে বার্নাবাসের বাইবেল প্রচুর তথ্য ও উপাত্তের উৎসগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হবে। বাইবেলের মর্মবাণী অনুধাবন করার ও পাঠকের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস এই গ্রন্থ।