ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে প্রতিভাধর কালজয়ী এক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত স্বতন্ত্র কবি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ভাব-ভাষা, ছন্দ, রূপক উপমা প্রতীকের নৈপুণ্যময় ব্যবহারে তিনি এ স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করেছেন। সমকালে এবং পরবর্তীকালেও তাঁর সম্পর্কে যাঁরা আলোচনা করেছেন, তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো নিয়েই ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য-(১ম খন্ড ও ২য় খন্ড) সম্পাদিত হয়েছে।
মুসলিম শাসনামলে বাংলা ভাষার নবজন্ম ঘটে, বাংলা সাহিত্যের চর্চা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের সাহিত্য যে ঐতিহাসিক বাস্তবতার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য ধারণ করে এক স্বাধীন জাতি ও সমৃদ্ধ সাহিত্যের উত্তরাধিকারিত্ব নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে, তারই নানান প্রয়াস এ গ্রন্থে নিহিত রয়েছে।
খ্রিস্টপূর্ব ২৬৬৬ অব্দ থেকে ১৭৮৪ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর ধরে এর স্বাধীন সত্তা, সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা, রাজনৈতিক ঐতিহ্য ইতিহাসে স্মরণীয় আরাকান। ১৪০৬ খ্রিস্টাব্দে আরাকানের রাজা পিতৃরাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাংলায় অবস্থানের পর ১৪৩০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ শাহের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আরাকান পুনরুদ্ধার করেন। এ গ্রন্থে আরাকান মুসলমানদের সোনালি ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে।
আধ্যাত্মিক সিলসিলায় নিবেদিত অনুসারীরা কীভাবে জীবনবাজি রাখে তার ঐতিহাসিক দলিল এই বই। রুহানী সিলসিলায় দীক্ষিত ইমাম শামিল জারতন্ত্রের বিরুদ্ধে চেচনিয়া এবং দাগিস্তানের নিপীড়িত মুসলমানদের ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। তাঁর রক্তঝরা সংগ্রামের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়।
বাংলা সাহিত্যের দুই দিকপাল নজরুল-রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এখন বইছে প্রচন্ড বৈরী বাতাস। এই বিষাক্ত বৈরী বাতাসে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হচ্ছে। জনমনে রয়েছে নানা বিভ্রান্তি। জাতির বিভ্রান্তি নিরসনে এবং রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক হাওয়া রুখে দাঁড়ানোর তাড়না থেকে এ গ্রন্থের অবতারণা।
প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে এই আধুনিককাল পর্যন্ত নারী নির্যাতনের উৎস ও কারণগুলো ইতিহাসের নিকষ কালো গহ্বর থেকে তুলে এনেছেন। নারী নির্যাতনের ইতিহাস-উপকরণ, দুর্লভ ছবি, মূল্যবান তথ্য ও তত্ত্ব দিয়ে গ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। এছাড়া একমাত্র ইসলামই যে নারীর প্রকৃত মুক্তি ও মর্যাদার বিধান সুনিশ্চিত করেছে -এর বাস্তবতা তথ্য নির্ভর অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
বিশ্বের সমস্ত জ্ঞানতাত্ত্বিক ও মতাদর্শভিত্তিক জ্ঞানশৃঙ্খলার ওপর শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার জন্যেই আল কোরআনের আবির্ভাব। আল্লাহর সাথে অংশীবাদ সাব্যস্তকারীদের মনের জ্বালা বাড়লেও ইসলামী এপিস্টোমেলজিই বিজয়ী থাকবে। সেজন্য কুরআন ও সুন্নাহর মিলিত প্রজ্ঞাপ্রবাহের মাধ্যমে বিশ্বে জ্ঞানতাত্ত্বিক শ্রেষ্ঠত্ব বিনির্মিত হতে পারে। ‘ইসলাম ও জ্ঞানতত্ত্ব’গ্রন্থে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
Reviews
There are no reviews yet.