‘রুহীর প্রথম পাঠ’ গ্রন্থটি মূলত একটি শিশুতোষ ছোটগল্প। শুধু শিশু-কিশোরেরা নয়, সকল মানুষকে এই গ্রন্থটির মাধ্যমে মুসলমানদের পবিত্র কালেমা অর্থাৎ তওহীদের শিক্ষা এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের দেব-দেবী বা পূজা অর্চনা সম্পর্কে একটি ধারণা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
শিশু-কিশোররা সমাজের চারপাশের নানা জিনিস সম্পর্কে জানতে চায়। তাদের সেই জানার আগ্রহ অনেকখানি মেটায় শিশুসাহিত্য। এসবের মধ্য দিয়ে সে চেনা-জানা জগৎটাকে নতুন করে বুঝতে শেখে। গল্পের অনেক চরিত্রের সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে বেড়ায়। ফলে এসবের এ মধ্য দিয়ে আপন জগৎটাকে সে উপলব্ধি করতে পারে। সেই উপলব্ধি থেকে লেখক প্রতিটি গল্পে চরিত্রকে নির্মাণ করেছেন।
শফীউদ্দীন সরদার রচিত ‘বুড়ির ঘুড়ি’ ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে শিশু-কিশোরের মনে আদর্শ শিক্ষার আভা প্রস্ফুটিত করতে গ্রন্থে প্রয়াস চালিয়েছেন। তিনি রূপকথার আঙ্গিকে প্রতিটি ছোটগল্প লিখলেও পাঠকের চাহিদা উপযোগী ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন। ‘বুড়ির ঘুড়ি’ শিশু-কিশোর মন আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে মনে করি।
‘সুবাসিত ভোর’ শিশু-কিশোরদের উপযোগী একটি গল্পগ্রন্থ। বর্তমানে শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেওয়ার মতো শিক্ষণীয় গ্রন্থের শূন্যতা পূরণে লেখক এগিয়ে এসেছেন। শুধু বিষয়গুলোই নয়, লেখকের ভাষা, ভঙ্গি এবং উপস্থাপনা কৌশলে রয়েছে চমৎকার নৈপুণ্য। এ গ্রন্থের প্রতিটি গল্পই শিক্ষণীয়। তিনি তাঁর প্রতিটি গল্পের বিষয়বস্তুকে সহজ, সরল ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন।
‘স্বপ্নের ঠিকানা’ গ্রন্থটি জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’-এ প্রত্যয়ে উদ্বুদ্ধ করবে আমাদের তারুণ্যকে, যা তাদের দেবে আলোকিত পথের দিশা। লেখক অনেক স্মৃতিময় ঐতিহাসিক ঘটনার বৃত্ত এঁকে শিক্ষামূলক অজানা কাহিনির আড়ালে এঁকেছেন দেশ ও জাতিকে গড়ার স্বপ্ন। বিবৃত করেছেন নানান জানা অজানা প্রেক্ষাপট।
Reviews
There are no reviews yet.