বৃটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের দুই প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বাংলায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং মহীশূরে টিপু সুলতান অত্যন্ত বীরত্বের সাথে স্বাধীনতা রক্ষার্থে লড়েছিলেন। বাংলায় মীর জাফর এবং মহীশূরে মীর সাদিক ছিলেন এই চক্রান্তের ক্রীড়ানক। এরূপ দুটি চরিত্র এই উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট। 'সূর্যাস্ত' বাংলার স্বাধীনতা সূর্যাস্তের পটভূমিকায় এক উপন্যাস, যা আমাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণে উদ্বুদ্দ করবে।
কারবালা প্রান্তররে বিয়োগান্তক ঘটনাপরর্বতী সময়রে উপাখ্যান এই উপন্যাসরে মূল বিষয়বস্তু। এই উপন্যাসরে একটা মূল আবগে আছে মিথিলি বিন্যাস্ত প্লটকে একীকরণরে চেষ্টা আছে এবং সমগ্র আখ্যানকে একটা পরণিতি দেবার সজ্ঞান প্রচষ্টোও আছে । এতে প্রথম থেকে শেষে র্পযন্ত মানবজীবনের এই অদৃষ্টলাঞ্চিত মূর্তির আলেখ্য পুরস্কারের এই শোচনীয় পরিনামের কাহিনি ধীরে ধীরে উদ্ঘাটিত হয়েছে।
মহীশূরের নন্দিত শাসক টিপু সুলতানের বীরত্বগাথা জীবনকাহিনি অবলম্বনে রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস। টিপু সুলতানের যে তলোয়ার ব্রিটিশদের বুকে তাসের সঞ্চার করতো, হায়দারাবাদের নিজাম ও দুর্দান্ত মারাঠা জাতির মিলিত শক্তি যে তলোয়ারে আঁচড় লাগাতে পারেনি। সেই তলোয়ার ভেঙ্গে গেল মহীশুরের দেওয়ান ও টিপু সুলতানের কুটুম মীর সাদিকের প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার কাছে।
এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক আব্বাসীয় সাম্রাজ্যের পতনের রূপরেখা অংকন করেছেন। পাশাপাশি খারেযাম শাহী সালতানাতের শেষ দিনগুলোর বাস্তব চিত্র এঁকেছেন। পরামর্শ ও সুবুদ্ধি অপেক্ষা রাজাদের ব্যক্তিগত খোশখেয়াল, রাজকীয় মর্জি এবং ভুল সিদ্ধান্ত একটি শক্তিশালী সালতানাত ধ্বংস করে দিতে পারে। তারই বাস্তব ইতিহাস 'শেষ প্রান্তর' উপন্যাস।
Reviews
There are no reviews yet.