পঞ্চদশ শতকে বাংলার জনসমষ্টিরই একাংশ স্বাধীন আরাকানের গোড়াপত্তন করেছিলেন। ষষ্ঠদশ ও সপ্তদশ শতকে আরাকানের রাজসভা ছিল বাংলা সাহিত্যচর্চার প্রাণকেন্দ্র। আরাকান তথা রোহিঙ্গা জাতির ইতিহাস আমাদের অতীত ঐতিহ্যের ইতিহাস, বাঙালি মুসলমানের গৌরবের ইতিহাস।
১৯৩২ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সক্রিয় কর্মজীবনে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মানুষের সংস্পর্শে এসে তিনি মানবচরিত্র নিয়ে যেসব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছেন তাই তুলে ধরেছেন এই বইটিতে। এই বাষট্টি বৎসরে আমাদের সমাজে যে পরিবর্তন এসেছে, মন মানসিকতার যে রূপান্তর ঘটেছে জীবনের মূল্যবোধে, তারই চিত্র অংকন করেছেন লেখক, পাঠক সমাজের জন্য। এগুলো বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে আনাগোনার ফলস্বরূপ তার ব্যক্তিগত উপলব্ধি।
এ গ্রন্থে লেখক কবিজীবনে দুঃখ-কষ্টের নানা দিক তুলে ধরেছেন। কবিজীবনের কষ্টের এমন অজানা বিষয় রয়েছে, যা পাঠককে ভাবাবেগে আপ্লুত না করে পারে না। আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম অধিকার বঞ্চিত ছিলেন সবসময়। জীবনসায়াহ্নে এসে কবি নানাভাবে পীড়িত হয়েছেন। গ্রন্থের পরতে পরতে কবির জীবনের ট্র্যাজিডি ফুটে উঠেছে।
একসময় আরব জাতি চিকিৎসা বিজ্ঞানে সবচেয়ে অগ্রগামী ছিলেন। আবু ইবনে সিনা রচিত ÔCanons of Medicine’থেকে জ্ঞান আহরণ করে বর্তমান অগ্রগামী পশ্চিমা মেডিসিনের সূত্রপাত হয়েছে। লেখক এ গ্রন্থে কুরআন ও হাদীস থেকে মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে তা সন্নিবেশিত করেছেন। এ গ্রন্থে ৮ শতাধিক বিষয়ের ওপর প্রায় ১২ শতাধিক রিওয়ায়াত উদ্ধৃত করেছেন।
নাস্তিকতাবাদের পতন’ তুরস্কের লেখক হারুন ইয়াহিয়ার ‘A Turning Point in History : The Fall of Atheism’ গ্রন্থের অনুবাদ। অনুবাদটি দৈনিক ইত্তেফাকে ‘নিরীশ্বরবাদের পতন : ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ’ শিরোনামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। এই গ্রন্থে নাস্তিক্যবাদের পতন, আল্লাহর অস্তিত্ব প্রসঙ্গ ও মৃত্যু আমাদের যা শেখায়-এ তিনটি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
যারা ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পঠন-পাঠনে আগ্রহী কিংবা বাইবেলের ওপর সম্যক ধারণা লাভ করতে চান, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে বার্নাবাসের বাইবেল প্রচুর তথ্য ও উপাত্তের উৎসগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হবে। বাইবেলের মর্মবাণী অনুধাবন করার ও পাঠকের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস এই গ্রন্থ।
ভাষা আন্দোলন বাঙালি তথা বাংলা ভাষাভাষি সম্প্রদায়ের জীবনে জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ মহান আন্দোলনের বস্তুনিষ্ঠ সচিত্র দলিলপত্রসহ ধারাবাহিক ইতিহাস আমাদের সামনে নেই। ১৯৪৭ সাল থেকে এ আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চরম পরিণতি লাভ করে। আর এই পরিণতি আত্মত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল।
এ আন্দোলনে বস্তুনিষ্ঠ ধারাবাহিক ইতিহাসের উপকরণ সংগ্রহের জন্য জনাব মোস্তফা কামাল দীর্ঘদিন এ আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ভাষা সৈনিকদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং এসব গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকার 'ঢাকা ডাইজেস্ট'-এ সিরিজ আকারে প্রকাশিত হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হওয়ার সময় সাক্ষাৎকারগুলো পাঠক ও বুদ্ধিজীবী মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। ইতিহাসের অনুরাগী অনেক অনুসন্ধিৎসু পাঠক ভাষা আন্দোলনের সৈনিকদের এ সাক্ষাৎকার সংগ্রহের কাজকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের অন্বেষায় 'গ্রাউন্ড ওয়ার্ক' হিসেবে উৎসাহিত করেছেন।
এসব সাক্ষাৎকার 'ভাষা আন্দোলন: সাতচল্লিশ থেকে বায়ান্ন' গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলনের অনেক বিভ্রান্তি ও কাল্পনিক তথ্যের অবসান ঘটিয়ে সঠিক ইতিহাস পাঠকের সামনে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছি। (নোট প্রকাশকের কথা)
৪৭-৫২ সময়ের ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষদর্শী ও সংগ্রামী ভাষাসৈনিকদের বয়ান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। এ গ্রন্থে ভাষা আন্দোলনের অনেক বিভ্রান্তি ও কাল্পনিক তথ্যের অবসান ঘটিয়ে সঠিক ইতিহাস পাঠকের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। ইতিহাসের অনুরাগী অনুসন্ধিৎসু পাঠক ভাষা আন্দোলনের সঠিক ইতিহাস এ গ্রন্থ থেকে অন্বেষণ করতে পারবে।
Reviews
There are no reviews yet.