পার্বত্য চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন উপজাতির উপাখ্যান বোঝার ও জানার জন্য একটি সহায়ক গ্রন্থ এটি। পার্বত্য চট্টগ্রাম ম্যানুয়্যাল, চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি, মানবসম্পদ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ, মাদ্রাসা শিক্ষা ও খ্রিস্টধর্ম প্রচার, স্বাস্থ্যসেবা, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, উপজাতি পরিচিত, এনজিও এবং মিশনারি সেবা ইত্যাদি বিষয়সমূহ এ গ্রন্থে ফুটে উঠেছে।
যারা ইসলাম ও তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব নিয়ে পঠন-পাঠনে আগ্রহী কিংবা বাইবেলের ওপর সম্যক ধারণা লাভ করতে চান, তাদের জন্য নিঃসন্দেহে বার্নাবাসের বাইবেল প্রচুর তথ্য ও উপাত্তের উৎসগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হবে। বাইবেলের মর্মবাণী অনুধাবন করার ও পাঠকের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস এই গ্রন্থ।
খ্রিস্টপূর্ব ২৬৬৬ অব্দ থেকে ১৭৮৪ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর ধরে এর স্বাধীন সত্তা, সাংস্কৃতিক স্বকীয়তা, রাজনৈতিক ঐতিহ্য ইতিহাসে স্মরণীয় আরাকান। ১৪০৬ খ্রিস্টাব্দে আরাকানের রাজা পিতৃরাজ্য থেকে বিতাড়িত হয়ে দীর্ঘ চব্বিশ বছর বাংলায় অবস্থানের পর ১৪৩০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সুলতান জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ শাহের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় আরাকান পুনরুদ্ধার করেন। এ গ্রন্থে আরাকান মুসলমানদের সোনালি ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে।
প্রাচীন সভ্যতা থেকে শুরু করে এই আধুনিককাল পর্যন্ত নারী নির্যাতনের উৎস ও কারণগুলো ইতিহাসের নিকষ কালো গহ্বর থেকে তুলে এনেছেন। নারী নির্যাতনের ইতিহাস-উপকরণ, দুর্লভ ছবি, মূল্যবান তথ্য ও তত্ত্ব দিয়ে গ্রন্থটিকে সাজিয়েছেন। এছাড়া একমাত্র ইসলামই যে নারীর প্রকৃত মুক্তি ও মর্যাদার বিধান সুনিশ্চিত করেছে -এর বাস্তবতা তথ্য নির্ভর অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।
এ গ্রন্থে লেখক কবিজীবনে দুঃখ-কষ্টের নানা দিক তুলে ধরেছেন। কবিজীবনের কষ্টের এমন অজানা বিষয় রয়েছে, যা পাঠককে ভাবাবেগে আপ্লুত না করে পারে না। আমাদের প্রাণের কবি কাজী নজরুল ইসলাম অধিকার বঞ্চিত ছিলেন সবসময়। জীবনসায়াহ্নে এসে কবি নানাভাবে পীড়িত হয়েছেন। গ্রন্থের পরতে পরতে কবির জীবনের ট্র্যাজিডি ফুটে উঠেছে।
ফররুখ আহমদ বাংলা সাহিত্যে প্রতিভাধর কালজয়ী এক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত স্বতন্ত্র কবি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। ভাব-ভাষা, ছন্দ, রূপক উপমা প্রতীকের নৈপুণ্যময় ব্যবহারে তিনি এ স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করেছেন। সমকালে এবং পরবর্তীকালেও তাঁর সম্পর্কে যাঁরা আলোচনা করেছেন, তা থেকে গুরুত্বপূর্ণ লেখাগুলো নিয়েই ফররুখ আহমদের স্বাতন্ত্র্য ও বৈশিষ্ট্য-(১ম খন্ড ও ২য় খন্ড) সম্পাদিত হয়েছে।
এ গ্রন্থে লেখক স্বাধীন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট অনুসন্ধান করেছেন এ ভূখন্ডের অতীত ইতিহাসের গভীরে। বাঙালির ইতিহাস ও ঐহিত্যের প্রবহমান মূলধারায় তিনি নির্দেশ করেছেন বাংলাদেশের উৎসস্থলকে। বাঙালির ইতিহাস নিয়ে আজও অনুসন্ধিৎসার বিরাম নেই। স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর এ প্রচেষ্টা আশাপ্রদভাবে ক্রমবর্ধমানতার প্রয়াস এই গ্রন্থে নিহিত।
Reviews
There are no reviews yet.