লেখক ১৯৭৭ সালে পবিত্র হজ্বব্রত সম্পাদন করেন। হজ্ব করে ফিরে আসার পর মক্কা, মদীনা ও জেদ্দার পটভূমিতে হজ্ব, তাওয়াফ ও অন্যান্য বিবরণসহ নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার উপকরণ নিয়ে এ গ্রন্থটি রচনা করেন। মক্কা, মদীনায় অবস্থানকালে লেখকের ছোটবোন পুত্র মালিক মুরাদ হোসেন দীপের দৃষ্টিভঙ্গিতে উপন্যাসের আমেজে ‘স্বপ্নের দেশ নবীর দেশ’ ভ্রমণকাহিনি পাঠকের সামনে তুলে ধরেছেন।
শিশু মনস্তত্ত্বের প্রতি যত্নশীল এবং একই সাথে দেশ, সমাজ, ধর্ম, সংস্কৃতিকে যত্নের সাথে শিশুদের সামনে পরিবেশন করার চমৎকার এক আয়োজন এ বই। শুরু থেকেই শিশুমনে মানবিকতা, মূল্যবোধ, দেশপ্রেম এবং ধর্ম ও সমাজকে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এ কাজটি করতে হয় পরিপূর্ণ নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে। কবি এ বইতে অপূর্ব দক্ষতাই শুধু প্রদর্শন করেননি, সেই সাথে মমতাও ঢেলে দিয়েছেন এর পরতে পরতে।
‘স্বপ্নের ঠিকানা’ গ্রন্থটি জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি ‘পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজেকে গড়ো’-এ প্রত্যয়ে উদ্বুদ্ধ করবে আমাদের তারুণ্যকে, যা তাদের দেবে আলোকিত পথের দিশা। লেখক অনেক স্মৃতিময় ঐতিহাসিক ঘটনার বৃত্ত এঁকে শিক্ষামূলক অজানা কাহিনির আড়ালে এঁকেছেন দেশ ও জাতিকে গড়ার স্বপ্ন। বিবৃত করেছেন নানান জানা অজানা প্রেক্ষাপট।
সাজজাদ হোসাইন খান রচিত ‘সোনালী শাহজাদা’ বইটি শিশু-কিশোরদের উপযোগী একটি জীবনালেখ্য সংকলন বই। তিনি তাঁর কুশলী কলমে আকর্ষণীয় ভাষায় গল্পের আঙ্গিকে কতিপয় মহান ব্যক্তির কিছু কিছু শিক্ষামূলক ঘটনা ফুটিয়ে তুলেছেন। মহান ব্যক্তিদের জীবনের অনন্য ঘটনা শিশু-কিশোরদের কাছে আবেদন সৃষ্টিতে সক্ষম।
Reviews
There are no reviews yet.