ছোটদের ইসলাম- এ জেড এম শামসুল আলম ১০০৳ ৩২পৃ.
“তাবলীগ ও ফজিলত-এ.জেড.এম.শামসুল আলম ” has been added to your cart. View cart
-40%
Previous product
Back to products
নৈতিকতা ও নান্দনিকতা- আল মুজাহিদী
৳ 250 Original price was: ৳ 250.৳ 150Current price is: ৳ 150.
Next product
যুবসমাজের ধর্মবিমুখতা- এ জেড এম শামসুল আলম
৳ 40 Original price was: ৳ 40.৳ 24Current price is: ৳ 24.
ছোটদের ইসলাম- এ জেড এম শামসুল আলম
৳ 100 Original price was: ৳ 100.৳ 60Current price is: ৳ 60.
‘ছোটদের ইসলাম’ বইটি শিশু-কিশোরদের মনন গঠন, ইসলামী বিধিবিধান ও নৈতিক শিক্ষায় অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে। শিশুদের মানসিকতার অনুধাবন এবং বাস্তব জীবনে পদক্ষেপ গ্রহণে সহায়ক হবে। এ বইয়ে ইসলামী জীবনব্যবস্থার ছোটখাটো বিষয়সমূহ ছোটদের উপযোগী করে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
Categories: Uncategorized, ধর্মীয় গ্রন্থ, নতুন বই, শিশুতোষ গ্রন্থ
Reviews (0)
Be the first to review “ছোটদের ইসলাম- এ জেড এম শামসুল আলম” Cancel reply
Shipping & Delivery
[html_block id="242"]
Related products
রমযানের শিক্ষা ও মুমিন জীবন-আমিনুল ইসলাম সম্পাদনা আব্দুল মান্নান তালিব, মাওলানা শামাউন আলী
দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের হাতে রোযার বিধান এবং প্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসায়েল তুলে দেওয়ার প্রত্যাশা নিয়েই এ গ্রন্থের ক্ষুদ্র আয়োজন। মুমিন জীবনের আত্মশুদ্ধির জন্য রোযার গুরুত্ব, ফজিলত এবং বাস্তব জীবনে রোযা পালনের নিয়মকানুন ও পদ্ধতি সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর সত্তা – এ জেড এম শামসুল আলম
সত্ত্বাগতভাবে আল্লাহ তায়ালা একক ও অদ্বিতীয়। সৃষ্টির কোনো বস্তুর সঙ্গে আল্লাহর সত্তার সাদৃশ্য নেই। আল্লাহ তায়ালা বিদ্যমান রয়েছেন, কিন্তু মানুষের মতো তাঁর দেহ নেই। তাঁর অবস্থা মানুষের চিন্তা ও বোধগম্যের ঊর্ধ্বে। গ্রন্থে আল্লাহর পরিচয়, সৃষ্টিকর্ম, ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়সমূহ অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
আলোর ভুবন-মাহবুবুল হক
রাসূলুল্লাহর (স.) নামায ও জরুরী দু’আ – প্রফেসর মুহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞা
লেখক সর্বস্তরের মানুষের জন্য বোধগম্য ও সহজলভ্য করে কুরআন-হাদীসের আলোকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নামাজ ও জরুরী দুআ সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। নামায পড়ার নিখুঁত পদ্ধতি এবং আল্লাহর রাসূল (সা.) কীভাবে নামাজ পড়তেন, সে সম্পর্কে বইটিতে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।
কুরআন নিয়েই ছিল পথ চলা যাদের-আলী আহমাদ মাবরুর
কুরআন মানুষকে আলোকিত করে। অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসে। মহান আল্লাহ পাক নিজেই কুরআনকে জ্যোতি বলে আখ্যা দিয়েছেন। পবিত্র কুরআনে এসেছে, “আল্লাহর কাছ থেকে এক জ্যোতি ও স্পষ্ট কিতাব তোমাদের কাছে এসে গেছে। যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে চায়, এটা দিয়ে তিনি তাদের শান্তির পথে পরিচালিত করেন এবং নিজ ইচ্ছায় অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে আসেন। আর তাদের সরল-সঠিক পথে পরিচালিত করেন।” (সূরা : মায়িদা, আয়াত : ১৫-১৬)। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আলোকিত মানুষ তৈরি করা। এ কথা পবিত্র কুরআনে অন্য একস্থানে বর্ণিত হয়েছে, “তিনিই (আল্লাহ) তাঁর বান্দার প্রতি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করেন, তোমাদের অন্ধকার থেকে আলোতে আনার জন্য। আল্লাহ তো তোমাদের প্রতি করুণাময়, পরম দয়ালু।” (সূরা : হাদিদ, আয়াত : ৯)
বিশিষ্ট লেখক আলী আহমদ মাবরুর রচিত ‘কুরআন নিয়েই ছিল পথচলা যাদের’ কুরআনকে কেন্দ্র করে অনুপ্রাণিত ও উজ্জীবিত হওয়ার মত একটি গ্রন্থ। বিশেষ করে কুরআনের রঙ্গে নিজেকে রাঙিয়ে তোলার মত অনুপ্রেরণা পাওয়া যাবে এ গ্রন্থের পড়তে পড়তে। কুরআনের সমাজ কায়েম করার ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর অবদান কিংবা কুরআন কীভাবে সাহাবী ও সালফে সালেহীনদের প্রভাবিত ও উজ্জীবিত করেছিল এমন কিছু ঘটনা-এই বইয়ে গল্প আকারে সাজানো হয়েছে।
কিয়ামত হাশর জান্নাত জাহান্নাম- অধ্যাপক মুহাম্মাদ সিরাজ উদ্দীন
কিয়ামতের পূর্ববর্তী আলামত, কিয়ামত, হাশর, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর পাঠক চাহিদার প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে এ গ্রন্থটি রচনা করেছেন। দুনিয়ায় আমাদের একটি বড় কর্তব্য হলো মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করা এবং আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহ করা। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ বেখবর ও উদাসীন। এ উদাসীনতা দূর করার নিমিত্তে এ গ্রন্থের সূচনা।
রাসূল (সা.)-এর নিরাপত্ত্বা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা কৌশল-লেফ. কর্নেল (অব.)ড. আ. ক. ম. মাকসুদুল হক
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সামরিক পেশাজীবন ৬২২ থেকে ৬৩২ হিজরী অবধি তার জীবনের শেষ দশ বছর স্থায়ী হয়েছিল। শক্তিশালী কুরাইশ গোত্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পবিত্র মক্কা নগরী থেকে তাঁকে এবং তাঁর অনুসারীদের বিতারিত করা হয়। তিনি মক্কার কাফেলাগুলোকে বাধা দিতে শুরু করেছিলেন। ৬২৪ হিজরীতে বদর যুদ্ধের প্রথম লড়াইয়ের পরে তাঁর শক্তি ক্রমশ বৃদ্ধি পায় এবং কূটনিতীক বিজয়ের মাধ্যমে তিনি অন্যান্য গোত্রগুলোকে প্রভাবিক করতে শুরু করেন। ৬৩০ হিজরিতে তিনি মক্কা এবং কারা জয়ের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জন করেছিলেন। ৬৩২ সালে তাঁর মৃত্যর সময়ে মুহাম্মাদ সা. আরব উপদ্বীপের বেশিরভাগ অঞ্চলকে একত্রিত করতে পেরেছিলেন। এবং পরবর্তীকালে ইসলাম বিস্তারে মজবুত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। লে: কর্নেল ড. এ কে এম মাকসুদুল হক রচিত 'রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা কৌশল' বইয়ে রাসূলুল্লাহ (সা.) জীবনে শুধুমাত্র গোয়েন্দা ইস্যুর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো আলোকপাত করা হয়েছে। লেখকের আধুনিক গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ এবং সামরিক জীবনের একটি বড় সময় গোয়েন্দা সংস্থায় চাকরির অভিজ্ঞতার আলোকে রাসূলুল্লাহর (সা.) গোয়েন্দা কার্যক্রমগুলোকে বিন্যস্ত করার চেষ্টা করেছেন। অর্থাৎ রাসূলুল্লাহর (সা.) গোয়েন্দা অভিযানসমূহকে আজকের যুগের ধাঁচে আলোচনা করলে দেখা যাবে আধুনিক গোয়েন্দা অভিযানগুলোই রাসূল (সা.) পরিচালনা করেছিলেন সাড়ে চৌদ্দশত বছর পূর্বেই। রাসূল (সা.) সফলতার সাথে তাঁর গোয়েন্দা মিশনসমূহ সুসম্পন্ন করতে পেরেছিলেন বলেই ইতিহাসের সবচেয়ে কম রক্তপাতে সর্বকালের সর্বগ্রাসী একটি বিপ্লব সাধন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। উক্ত গ্রন্থে লেখক রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা কৌশলসমূহ যুদ্ধভিত্তিক ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করেছেন। আশা করি বইটি পঠনে পাঠক সমাজ উপকৃত হবেন।
আবাবিলের কবলে আবরাহা- মুহাম্মদ লুতফুল হক
ইয়ামনের বাদশাহ আবরাহা বিশাল বাহিনী নিয়ে কাবাঘর ধ্বংস করতে আসলে আল্লাহ নিজেই কাবাকে হেফাজতের ব্যবস্থা নিলেন। আবাবিল নামের একঝাঁক ক্ষুদ্র পাখির আক্রমণেই নাস্তানাবুদ হয়ে গেল আবরাহার বিশাল বাহিনী। অক্ষত অবস্থায় থেকে গেল পবিত্র কাবা। পবিত্র কাবা আক্রমণের এই কাহিনিকে লেখক চমৎকারভাবে উপস্থাপন করেছেন এ গ্রন্থে।

Reviews
There are no reviews yet.