‘চলচ্চিত্রে বাঙালি মুসলমান’ শিরোনামে ১৯৭৯ সালের ২৬ অক্টোবর সাপ্তাহিক বিচিত্রা প্রকাশিত প্রবন্ধ বিপুলভাবে পাঠকনন্দিত হয়। এ ধরনের শিরোনামে এটিই ছিল প্রথম রচনা এবং সে আগ্রহ থেকেই এই গ্রন্থের সূত্রপাত ঘটে। লেখক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে চলচ্চিত্রে বাঙালি মুসলমানদের অবদান ও সোনালি অধ্যায়ের বর্ণনা করেছেন।
ক্ষণজন্মা মাহবুব-উল আলমের সাহিত্য-আঙ্গিনায় প্রবেশ ‘মোমেনের জবানবন্দী’ ও ‘পল্টন জীবনের স্মৃতি'র মতো সৃষ্টির মধ্য দিয়ে। পূর্ব বাংলার যে লেখককে পশ্চিম বাংলার বাঘা বাঘা লেখকরা তাঁদের আসরে স্বাগত জানিয়েছিলেন, তিনি আজ যেন বিস্মৃত প্রায়। লেখকের যাপিত জীবনের নানা রসবোধের লেখাসমৃদ্ধ এ গ্রন্থখানি যেন এক অমূল্য পুরাকীর্তির পলেস্তারা সরিয়ে পশরা বসিয়েছে।
মুফতী মুহাম্মদ শাফী (রহ.) বিংশ শতকের শুরু থেকে শেষাবধি ইসলামের শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রাখা একজন মনীষী। ইলমের বিভিন্ন শাখায় বিশেষত তাফসীর ও ফিকাহশাস্ত্রে তিনি বিশ্ববিখ্যাত বিদ্বানদের একজন। আধুনিক ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁর গবেষণা ও প্রদত্ত ফাতওয়া পূর্বদৃষ্টান্তহীন এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্য অবদান। তাফসীরশাস্ত্রেও তাঁর অবদান অতুলনীয়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে গ্রন্থের সূচনা।
লেখক তাঁর জীবনের বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের পটভূমিতে তথ্যসমৃদ্ধ করেছেন এই বইতে। ‘যখন সাংবাদিক ছিলাম’ শিরোনামে ‘দৈনিক মুক্তকণ্ঠ’ পত্রিকায় ১৯৯৭-১৯৯৯ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পটভূমিতে এশিয়া, ইউরোপের বহু ঘটনায় সমৃদ্ধ হয়েছে বইটি। এ ছাড়া স্বাধীনতার জন্য অনেক মানুষের সংগ্রামমুখর জীবন উৎসর্গীকৃত আত্মদানের ঘটনা আর তাঁদের আকাংক্ষা চিত্রিত হয়েছে বইটিতে।
Reviews
There are no reviews yet.