প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ঃ আমার প্রথম পাঠ – অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল হোসাইন
বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকার ‘সবার জন্য শিক্ষা কর্মসূচীর ’বাস্তবায়ন, সারা দেশে ৩-৬ বছর বয়সী সকল শিশুকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার আওতাভুক্ত করার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শিশুর মেধা ও মনোবিকাশের উপযোগী একটি বই। লেখক আমাদের দেশে প্রচলিত লক্ষ লক্ষ ফোরকানিয়া মা’কতাবে পবিত্র কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি শিশুদেরকে একই সাথে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানে এটি উদ্ভাবন করেছেন।
প্রিয় নবীর আদর্শ জীবন-( সা. )- আবদুল মান্নান তালিব
রাসূল (সা.)-এর জীবন আমাদের সুন্দরতম মহত্তম আদর্শ। তাঁর জীবনব্যবস্থা একটি উন্নত কিতাবের মতো, সেখানে কোনো কিছুই অন্তরালে নেই। তাঁর স্ত্রী ও সাহাবিগণ তাঁর কোনো কথাই গোপন করেননি, গোপন রাখেননি; সবকিছু প্রকাশ্যে বর্ণনা করেছেন। সেখান থেকে তাঁর সামগ্রিক জীবনের চিত্রপট তুলে আনতে এবং সেই নিরিখে আমাদের জীবন গড়ে তুলতে লেখক এ গ্রন্থ রচনা করেছেন।
ব্যর্থরা কেন হাসে?- আনোয়ার বিন এ. খালেক
প্রথম প্রকাশ: সর্বশেষ প্রকাশ: মূল্য: ১৮০ টাকা পৃষ্ঠা: ৯৬
মাদ্রাসা শিক্ষা- এ.জেড.এম. শামসুল আলম
১৫৮। মাদ্রাসা শিক্ষা- এ.জেড.এম. শামসুল আলম ২৪০/- ১৮০ পৃ.
মুসলিম সঙ্গীত চর্চার সোনালী ইতিহাস – এ.জেড.এম. শামসুল আলম
সংস্কৃতি অঙ্গনে সংগীতবিষয়ক একটি অনবদ্য গ্রন্থ। যুগ যুগ ভিত্তিক সংগীত ও সংগীতজ্ঞ সম্পর্কীয় একটি ঐতিহাসিক গবেষণাগ্রন্থ। বাংলা ভাষায় সংগীত চর্চায় সুদীর্ঘ ইতিহাস রচনায় যে অপূর্ণতা রয়েছে, তা পূরণে এ গ্রন্থটি সহায়ক। ইসলামী যুগের শুরু হতে মুসলিম সমাজে সংগীত চর্চার বাস্তব ক্ষেত্র এবং সেসব সমাজে কীরূপ চিত্র ছিল, তারই বিশ্লেষণধর্মী রূপরেখা লেখক এই গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন।
যুদ্ধের গল্প আগুন ঝরা দিন- আহমদ মতিউর রহমান
‘আগুন ঝরার দিন’ শিশু-কিশোর গল্পগ্রন্থ। বিভিন্ন দেশে যুদ্ধভিক্তিক শিশু-কিশোরদের কাহিনি অবলম্বনে রচিত ৫টি গল্প দিয়ে এই বইটি সাজিয়েছেন। সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে গল্পের কাহিনিগুলো গড়ে উঠেছে। গল্পের প্রধান প্রধান চরিত্র এবং ঘটনাস্থলও বাস্তবানুগ। তবে গল্পের সঙ্গে সংগতি রেখে কিছু চরিত্র সৃজন ও কাহিনি বিন্যাস করা হয়েছে।
সদাচার শিষ্টাচার আদব কেতা-মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান
শিষ্টাচার মানুষকে সংযমী ও বিনয়ী করে তোলে। এমন মানুষকে সবাই শ্রদ্ধা করে। ইসলামে আদব শিষ্টাচার ও সৌজন্যতাকে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছে। শিষ্টাচারের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসূল (সা.) বলেছেন, “নিশ্চয়ই উত্তম চরিত্র, ভালো ব্যবহার ও পরিমিত ব্যয় বা মধ্যপন্থা অবলম্বন করা নবুয়তের পঁচিশ ভাগের এক ভাগ।” (আবু দাউদ : ৪৭৭৬)। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেছেন, “তুমি আদব ও শিষ্টাচার অন্বেষণ কর । কারণ আদব হলো বুদ্ধির পরিপূরক, ব্যক্তিত্বের প্রমাণ, নিঃসঙ্গতায় ঘনিষ্ঠ সহচর, প্রবাস জীবনের সঙ্গী এবং অভাবের সময়ে সম্পদ।” (ইসবাহানি, মুনতাখাব; সাফারিঈনি, গিযাউল আলবাব : ১/৩৬-৩৭)।
সমাজে শিষ্টাচারের অভাব নৈতিক অবক্ষয়কে ত্বরান্বিত করে। সমাজ জীবন হয়ে ওঠে অশান্ত। নানা কদর্যতা, অন্যায় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। ফলে সমাজে বসবাসকারী মানুষরা ভোগে অস্তিত্বের সঙ্কটে। শিষ্টাচারহীনতা একটি দেশ ও জাতির উন্নয়নের অন্তরায়। এ উপলব্ধি থেকে মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ‘সদাচার শিষ্টাচার আদব কেতা’ গ্রন্থটি রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। তিনি সুন্দর আচরণ প্রকাশের অনন্য কলাকৌশল হিসেবে শিষ্টাচারকে নানা আঙ্গিকে নানা রূপে আলোকপাত করেছেন।