ইসলাম ও হিন্দুধর্ম- এ.জেড.এম. শামসুল আলম
প্রথম প্রকাশকাল : সর্বশেষ প্রকাশ : মূল্য : ২২০ পৃষ্টা : ২৮০
ইসলামী আকিদার ভাষ্য-আল্লামা আলী আবুল ইয্য আদ-দিমাশকী ( র )
হযরত আদম ও হাওয়া (আ)-কে জান্নাত থেকে পৃথিবীতে পাঠাবার প্রাককালে মহান আল্লাহ বলেন, আমার পক্ষ
থেকে পথনির্দেশ যেতে থাকবে। যারা আমার পথনির্দেশের অনুগামী হবে তারা শংকিত ও দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবে না।
আর যারা সেই পথনির্দেশ অমান্য করবে এবং আমার বাণীকে মিথ্যাচারে আবৃত করবে তারা হবে দোযখের স্থায়ী
বাসিন্দা। যুগে যুগে নবী-রাসূলগণের মাধ্যমে প্রাপ্ত পথনির্দেশের ভিত্তিতে মহান স্রষ্টায়, নবী-রাসূলগণে, আসমানী
কিতাবে এবং পার্থিব জীবনের পর অনন্ত জীবন লাভের ওপর মানবজাতির মনের মুকরে এক অবিচল বিশ্বাস
বদ্ধমূল হয়েছে। তার এই বিশ্বাস এতোই পোক্ত ও পরিপক্ক যে, সে কঠিন প্রতিকূল পরিস্থিতির শিকার হয়েও জীবন
বিসর্জন দেয় কিন্তু ঈমান বিসর্জন দেয় না ।
আল-কুরআনের আলোকে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বিশ্বাসের যে সেতুবন্ধন রচিত হয়েছে তাই হচ্ছে এই গ্রন্থের
আলোচ্য বিষয়। এই সেতুবন্ধনের যে কোনো একটি গিট দুর্বল হয়ে পড়লে ঈমানও দুর্বল হতে থাকে এবং তা খুলে
গেলে ঈমান থেকে বিচ্যুতি ঘটে।
ইসলামী জাগরণের ১০ নকীব-অধ্যাপক মো: জাকির হোসাইন
মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর মনোনীত দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে নবী ও
রাসূলদের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন। নবী ও রাসূলগণের পর প্রখ্যাত দ্বীনের দায়ী,
ইমাম ও সমাজ সংস্কারকগণ এই দায়িত্ব পালন করে আসছেন। উত্তরাধিকার
হিসেবে ইসলামী সমাজ সভ্যতা বিনির্মাণে ও জাতি গঠনে তাঁরা অবদান রেখেছেন।
যার প্রেক্ষিতে ইসলামী সভ্যতায় একটি স্বর্ণযুগ সৃষ্টি হয়েছিল। তাঁদের প্রজ্ঞা ও
জ্ঞান, চেষ্টা-প্রচেষ্টা, পরিশ্রম, ত্যাগ, কোরবানি, সাংগঠনিক ভিত্তি, কর্মনীতি ও
কর্মকৌশল আধুনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমৃদ্ধ দেশ গঠন ও আদর্শিক সমাজ
প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী দিনের প্রজন্ম এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে
তাঁদের অবদান অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে ভূমিকা পালন করবে। তাঁদের প্রদর্শিত
কর্মনীতি ও কর্মকৌশল এবং জীবন ও কর্মের উদাহরণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে
অধ্যাপক মোহাম্মদ জাকির হোসেন ‘ইসলামী জাগরণের ১০ নকীব’ গ্রন্থটিতে
ইসলামি চিন্তাবিদ ও সমাজ সংস্কারকদের জীবন ও কর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আগামী
প্রজন্মের জন্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
এ গ্রন্থে ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহ্হাব (রহ.) (১১১৫-১২০৬), হাজী
শরিয়ত উল্লাহ (১৭৮১-১৮৪০), শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহ.)
(১৭৮৬-১৮৩১), সাইয়েদ আহমাদ শহীদ বেরলভী (রহ.) (১৮০৬-১৮৩১),
স্যার সৈয়দ আহমাদ খান (১৮১৭-১৮৯৮), বদিউজ্জামান সাঈদ নুরসি (১৮৭৭-
১৯৬০), সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রহ.) (১৯০৩-১৯৭৯), সাইয়েদ কুতুব
শহীদ (১৯০৬-১৯৬৫), শহীদ হাসান আল বানড়বা (১৯০৬ -১৯৪৯), আহমাদ
দীদাত (১৯১৮-২০০৫) প্রমুখ ব্যক্তিদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আকারে
আলোকপাত করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি গ্রন্থটি জীবন গঠনে মূল্যবান
অবদান রাখবে এবং পাঠক মহলে সমাদৃত হবে।
ইসলামী বইয়ের প্যাকেজ
পবিত্র মাহে রমাদান মাস উপলক্ষে বুক সোসাইটির প্রকাশিত ইসলামী বইয়ের প্যাকেজ পাচ্ছেন মাত্র ৫৮০ টাকায়। প্যাকেজে থাকছে ১. তাকওয়া ও
ইসলামী বইয়ের প্যাকেজ
পবিত্র মাহে রমাদান মাস উপলক্ষে বুক সোসাইটির প্রকাশিত ইসলামী বইয়ের প্যাকেজ পাচ্ছেন মাত্র ৫৮০ টাকায়। প্যাকেজে থাকছে ১. রমজানের শিক্ষা
ইসলামী ভ্রাতৃত্বের রূপরেখা -ড. আ. জ. ম. কুতুবুল ইসলাম নোমানী
বাদশাহ আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ আবদুল্লাহ নাসেহ উল্ওয়ান আবূ সা’দ রচিত বইটিতে আল্লাহর জন্য ভ্রাতৃত্বের গুরুত্ব, তাৎপর্য, অধিকারে বিষয়ে বিশদ বর্ণনা রয়েছে। ইতিহাস পরিক্রমায় যুগে যুগে যারা মানুষদেরকে আল্লাহর পথে আহবান করেছিলেন এবং কল্যাণের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাদের থেকে বর্ণিত শাশ্বত ঐতিহাসিক বেশ কিছু উদাহরণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
ইসলামে শিক্ষা ও সংস্কৃতি- আবুল হোসেন
ইসলামে শিক্ষা ও সংস্কৃতি- আবুল হোসেন ২৫০/- ২০৬ পৃ.
ইসলামের আলোকে চিকিৎসা বিজ্ঞান – ডক্টর মুহাম্মদ মুশাররফ হুসাইন
একসময় আরব জাতি চিকিৎসা বিজ্ঞানে সবচেয়ে অগ্রগামী ছিলেন। আবু ইবনে সিনা রচিত ÔCanons of Medicine’থেকে জ্ঞান আহরণ করে বর্তমান অগ্রগামী পশ্চিমা মেডিসিনের সূত্রপাত হয়েছে। লেখক এ গ্রন্থে কুরআন ও হাদীস থেকে মূলত চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে তা সন্নিবেশিত করেছেন। এ গ্রন্থে ৮ শতাধিক বিষয়ের ওপর প্রায় ১২ শতাধিক রিওয়ায়াত উদ্ধৃত করেছেন।
ইসলামের প্রথম মুয়াযযিন হযরত বিলাল রা.-হেলেনা খান
হযরত বিলাল (রা.)-এর জীবনালম্বনে রচিত এ গ্রন্থ ইসলাম ধর্মের একটি অত্যুজ্জ্বল দিক, যা ধনী-দরিদ্রনির্বিশেষে মানুষকে সমুন্নত মর্যাদা প্রদান করার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। একজন ক্রীতদাসকে ইসলামের প্রথম মুয়াযযিন হিসেবে সম্মানের উচ্চ শিখরে তুলে ধরা হয়েছিল, তাঁর সুদৃঢ় ঈমান ও মহৎ গুণাবলির জন্য। লেখক হযরত বিলাল (রা.)-এর উজ্জ্বল এই জীবনীটি লিখে আমাদের সামনে ইসলামের ঔদার্য্ মহানুভবতা ও মাহাত্ম্য তুলে ধরার প্রয়াস চালিয়েছেন।
উহারা- খোন্দকার মাহ্ফুজুল হক
উহারা- খোন্দকার মাহ্ফুজুল হক ১৩০/- ৬৪ পৃ.
এ দেশ আমার লাল সবুজে আঁকা- নূরুল হক
স্বদেশপ্রেম শুধু বিমূর্ত একটি আদর্শই নয়, এটি স্বদেশকল্যাণের প্রদীপ্ত প্রত্যয়ও বটে। আমরা জানি শিশুরাই আগামীর আশার প্রতীক। শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার উপর অনাগত দিনগুলোর সৌন্দর্য অনেকখানি নির্ভর করে। তাদেরকে সততা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব সকলের। আর সে বিবেচনাবোধ থেকে কবি নূরুল হক শিশু-কিশোরদের জন্য দরদ দিয়ে লিখেছেন ‘এ দেশ আমার লাল সবুজে আঁকা’।
এক হাতে যদি চাদ এনে দেও-শহীদ সিরাজী
লেখক শহীদ সিরাজী আল্লাহর রাসূলের জীবনের খণ্ড চিত্রের গল্পকথা নিয়ে সুন্দর সুন্দর গল্প তৈরি করে উপস্থাপন করেছেন। যা আজকের সমাজের অবক্ষয় আক্রান্ত শিশু-কিশোরেরা নিজেদেরকে নৈতিক মানে বলীয়ান হয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ পাবে। সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশ ঘটবে তাদের মনে ও প্রাণে। এমনই চিন্তা থেকেই ‘এক হাতে যদি চাঁদ এনে দাও’ রচনা করেছেন।