সাতটি রঙের রংধনু- হেলেনা খান
সাতটি রঙের রংধনু- হেলেনা খান ৫৫/- ৫৬ পৃ.
সাতটি আইনে প্রি-এমশন- মো: আব্দুল্লাহেল ওয়াফী খান (লবন)
লেখক বিভিন্ন আইনে প্রি-এমশন বা অগ্রক্রয়ের আইন বিদ্যমান বা প্রচলিত রয়েছে, তা সুবিন্যস্তভাবে বইটিতে উপস্থাপন করেছেন। এ গ্রন্থে মুসলিম আইনে প্রি-এমশন, ১৮৯৩ সালের বাঁটোয়ারা আইন, ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ সালের জমিদারী উচ্ছেদ আইন, ১৯৮৪ সালের ভ‚মি সংস্কার অধ্যাদেশ, ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং ১৮৮৫ সালের বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনসমূহ কোনো ক্ষেত্রে কীভাবে প্রযোজ্য হবে, তার বিশদ বর্ণনা করা হয়েছে।
সাধু শয়তান- মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন খান
পারস্য কবি হাকিম নিজামীর কাব্য অবলম্বনে রচিত ‘সাধু-শয়তান’ কাহিনির মূল নাম ‘খায়র অশার’ তথা কল্যাণ ও অনিষ্ট। এই কাহিনির গদ্যরূপটি নেওয়া হয়েছে মেহদী আজার ইয়াজদী রচিত গদ্য কাহিনি থেকে। অত্যধিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ার এসব গল্প-কাহিনির মাধ্যমে মানুষকে সৎ, সত্য ও সুন্দর পথে টেনে আনার প্রয়াস চালিয়ে গেছেন।
সাংস্কৃতিক বখাটেপনা- আবদুল মবিন মিয়া
আমাদের দেশের তরুণ সমাজ জ্ঞান চর্চার গভীরে পৌছার সুযোগ সুবিধা, পথনির্দেশ না পেয়ে আনন্দ চর্চার নামে সস্ত। সাহিত্য এবং পর্ণসাহিত্যের অশ্লীলতায় বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিভাধরগণ পথনির্দেশনা দিয়ে নিজ নিজ স্বার্থোদ্ধারের পুঁজি হিসাবে তাদের ব্যবহার করে চলেছেন। ফলে দেশে জীবিকা ভানের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি না হয়ে দ্বন্দ্বে, কলহে, আন্দোলনে তরুন সমাজের মন-মস্তিষ্ক ধ্যাণ-ধারণা আছন্ন হয়ে পড়ছে। সাংস্কৃতিক বাখাটেপনা তারই নির্যাস।
সিভিল আরজী ড্রাফটিং- মোঃ আব্দুল্লাহেল ওয়াফী খান (লবন)
দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদীকে আরজি লেখার মধ্য দিয়ে প্রতিটি মোকদ্দমায় আদালতে প্রমাণ করতে হয়। প্রতিটা আরজিতেই তামাদি ও কোর্ট ফিসের বিষয় জড়িত থাকে। তামাদি ও কোর্ট ফিস ব্যতীত কখনও কোনো আরজি মুসাবিদা করা যায় না। লেখকের সিভিল আরজি ড্রাফটিং বইটির মধ্যে প্রতিটি আরজি লেখার পূর্বে তামাদি ও কোর্ট ফিসের বর্ণনা থাকাতে আইনগত দিক দিয়ে বইটির গুরুত্ব অপরিসীম।
সিভিল পিটিশন ড্রাফটিং- মোঃ আব্দুল্লাহেল ওয়াফী খান (লবন)
সিভিল পিটিশন ড্রাফটিং একটি আইনবিষয়ক গ্রন্থ। দেওয়ানী কার্যবিধি আইনটি হচ্ছে একটি procidural law মোকদ্দমা পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু কিছু আদেশ ও বিধি আছে, যা প্রায় সময়ই দরকার হয়ে পড়ে। সেই সব আদেশ ও বিধিকে বাছাই করে বিষয়ভিত্তিক ক্রমিকে বইটির মধ্যে সংকলন করা হয়েছে।
সীরাতে রাহমাতুল্লিল আলামীন-সম্পাদক.আ.ই.ম. নেছার উদ্দিন
“তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ্ ও আখিরাতকে ভয় করে এবং আল্লাহ্কে অধিক স্মরণ করে তাদের জন্যে তো রাসূলুল্লাহ মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ” সূরা আহযাব : ২১। মহান আল্লাহ তা’য়ালা এ আয়াতের একাংশে তাঁর সাক্ষাত ও আখিরাতের আকাঙ্ক্ষাকে রাসূল (সা.)-এর জীবনের আদর্শের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন । এ থেকেই বুঝা যায়, আল্লাহ তা’য়ালা রাসূল (সা.)-এর জীবনীকে এবং এর আদর্শকে এত বিশাল গুরুত্ব দিলেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি, তাঁর সাক্ষাত ও আখিরাতের মুক্তি মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনী জানা ও মানার মধ্যে নিহিত রয়েছে।
বিদায় হজে রাসূল (সা.) বলেছিলেন, ‘তোমরা কষ্মিনকালেও পথভ্রষ্ট হবে না, যদি এই দুটি জিনিসকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরতে পারো। তা হলো আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাত’। এই হাদিসে আল্লাহর কিতাব তথা কুরআনের পর আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর সুন্নাত আঁকড়ে ধরতে বলা হয়েছে। সুন্নাত হলো রাসূল (সা.)-এর জীবনাদর্শ। এই আদর্শ আমরা পাবো রাসূল (সা.)-এর জীবনচরিত্রে ও হাদিসে। তাই রাসূল (সা.)-এর সমগ্র জীবনী জানা, মানা এবং সেই আদর্শে জীবন পরিচালিত করা প্রতিটি মুমিনের জন্য অপরিহার্য।
‘সিরাতে রাহমাতুল্লিল আলামীন’ গ্রন্থটি রাসূল (সা.)-এর জীবনচরিত্রে বিভিন্ন দিক নিয়ে লিপিবদ্ধ একটি প্রবন্ধ সংকলন। এতে অনেক প্রথিতযষা ও প্রাজ্ঞ লেখকদের লেখা স্থান পেয়েছে।
সুবাসিত ভোর- শরীফ আবদুল গোফরান
‘সুবাসিত ভোর’ শিশু-কিশোরদের উপযোগী একটি গল্পগ্রন্থ। বর্তমানে শিশু-কিশোরদের হাতে তুলে দেওয়ার মতো শিক্ষণীয় গ্রন্থের শূন্যতা পূরণে লেখক এগিয়ে এসেছেন। শুধু বিষয়গুলোই নয়, লেখকের ভাষা, ভঙ্গি এবং উপস্থাপনা কৌশলে রয়েছে চমৎকার নৈপুণ্য। এ গ্রন্থের প্রতিটি গল্পই শিক্ষণীয়। তিনি তাঁর প্রতিটি গল্পের বিষয়বস্তুকে সহজ, সরল ও সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করেছেন।
সূর্যাস্ত – শফীউদ্দীন সরদার
বৃটিশ বেনিয়াদের বিরুদ্ধে ভারতের দুই প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বাংলায় নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং মহীশূরে টিপু সুলতান অত্যন্ত বীরত্বের সাথে স্বাধীনতা রক্ষার্থে লড়েছিলেন। বাংলায় মীর জাফর এবং মহীশূরে মীর সাদিক ছিলেন এই চক্রান্তের ক্রীড়ানক। এরূপ দুটি চরিত্র এই উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট। 'সূর্যাস্ত' বাংলার স্বাধীনতা সূর্যাস্তের পটভূমিকায় এক উপন্যাস, যা আমাদের স্বাধীনতা সংরক্ষণে উদ্বুদ্দ করবে।
সূর্যের পতাকা লাল- আল মুজাহিদী
স্বাধীনতা সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে রচিত কিশোর উপন্যাস ‘সূর্যের পতাকা লাল’। বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যে জনযুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল, তাতে সাধারণ জনগণের পাশাপাশি কিশোররাও অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। বাংলার কিশোর ও তরুণসমাজ স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয়গাথার কাহিনি পড়ে অপার আনন্দে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে পারবে।
সোনা রঙ বিকেলে- আহমদ মতিউর রহমান
শিশু-কিশোররা সমাজের চারপাশের নানা জিনিস সম্পর্কে জানতে চায়। তাদের সেই জানার আগ্রহ অনেকখানি মেটায় শিশুসাহিত্য। এসবের মধ্য দিয়ে সে চেনা-জানা জগৎটাকে নতুন করে বুঝতে শেখে। গল্পের অনেক চরিত্রের সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে বেড়ায়। ফলে এসবের এ মধ্য দিয়ে আপন জগৎটাকে সে উপলব্ধি করতে পারে। সেই উপলব্ধি থেকে লেখক প্রতিটি গল্পে চরিত্রকে নির্মাণ করেছেন।