মানবাধিকার ও ইসলাম- মুহম্মদ মতিউর রহমান
১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর মানবাধিকার সম্পর্কে সর্বজনীন ঘোষণা প্রদান করা হয়, মূলত এর চর্চা বা স্পষ্ট ধারণা রাসূল (সা.)-এর যুগ থেকেই শুরু হয়েছিল। মানবাধিকার সম্পর্কিত মূলনীতিকে দুভাগে ভাগ করা যায়। প্রথমত মানবরচিত নীতিমালা, দ্বিতীয়ত স্রষ্টা প্রদত্ত নীতিমালা। বলাবাহুল্য, স্রষ্টা প্রদত্ত নীতিমালা নিঃসন্দেহে সর্বাঙ্গসুন্দর, সর্বজনীন ও সর্বাধিক কল্যাণময়।
মানাকিবে আহলে বাইত- ড. মুহাম্মদ আরিফুর রহমান
‘আহলে বাইত’ বলতে রাসূল (সা.)-এর পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়দের আখ্যায়িত করা হয়। আর ‘মানাকিব’ দ্বারা তাঁদের উচ্চ মর্যাদা ও ফজিলত তথা গুণ-বৈশিষ্ট্যকে বুঝায়। ‘মানাকিবে আহলে বাইত’ হচ্ছে রাসূল (সা.)-এর পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়দের উচ্চ মর্যাদা ও ফজিলত তথা গুণ-বৈশিষ্ট্য বিষয়ক বর্ণনা। কুরআনিক অর্থে নবীজি (সা.)-এর আহলে বাইতের সদস্য ছিলেন চারজন-হযরত ফাতেমা (রা.), হযরত আলী (রা.), হযরত হাসান (রা.) ও হযরত হোসাইন (রা.)। মর্যাদার দিক থেকে তাঁরাই সবার ঊর্ধ্বে। নবীপত্নীরাও আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত। সুতরাং রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবারের সদস্য, সব নিকটাত্মীয় ও আওলাদে রাসুলেরা আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত ও বিশেষ মর্যাদার অধিকারী।
আহলে বাইত বিষয়ক আরবি ও উর্দুসহ অন্যান্য ভাষায় অনেক বইপত্র থাকলেও বাংলা ভাষায় এ বিষয়ক তথ্যবহুল ও গবেষণাধর্মী বই খুবই অপ্রতুল। তাই বাংলা ভাষাভাষী পাঠকদের সামনে আহলে বাইতের পরিচয়, মর্যাদা এবং ফজিলত সম্পর্কে তুলে ধরার লক্ষ্যে গ্রন্থটি রচনা করেছেন ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। এ গ্রন্থে লেখক দীর্ঘ গবেষণা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে রাসূল (সা.)-এর পরিবার পরিজন ও নিকটাত্মীয়দের উচ্চ মর্যাদা ও ফজিলত তথা গুণ-বৈশিষ্ট্য বিষয়ক বর্ণনা লিপিবদ্ধ করেছেন। গ্রন্থটি তথ্যবহুল ও গবেষণাধর্মী করার ক্ষেত্রে লেখকের প্রচেষ্টা ছিল সর্বাগ্রে বিবেচ্য।
মায়া-খোন্দকার মাহফুজুল হক
প্রথম প্রকাশ: সর্বশেষ প্রকাশ: মূল্য:১৬০ টাকা পৃষ্ঠা:৮০
মায়ের হাতের রান্না- ফরিদা বেগম
মায়ের হাতের রান্না- ফরিদা বেগম ২৫০/- ১৭১ পৃ. সিডি/ভিসিডি/ডিভিডি
মারিফাত ও দীদার-এ-ইলাহী – শায়েখ আলাউদ্দীন খান আল ক্বদমী
‘মা’রিফাত ও দীদার-এ-ইলাহী’ বইটি পরিপূর্ণ ঈমান অর্জনের পথ-নির্দেশনা তথা তরীকতের উপর বাংলা ভাষায় রচিত একটি মৌলিক গ্রন্থ। লেখক তরীকতের তথা আধ্যাত্মিক জগতের অনেক সুক্ষ্য বিষয়ের পুংখানুপুংখ বিশ্লেষণ করেছেন এবং অনেক দ্বান্ধিক ও বিতর্কিত বিষয়ের সুষ্ঠু সমাধান দিয়েছেন। তরীকতের উৎপত্তি, উচ্চতর মাকামাত বা শ্রেণিসমূহের বর্ণনা ও বিলায়েত এবং তৎসংলগ্ন অভিজ্ঞতা, নূর ও নূরের প্রকার, পর্দা ও তার সংখ্যা, বরযখ বা সূক্ষ্য নূরী দেহ, তাওয়াজ্জুহ বা মনোনিবেশ, মুহব্বত ও ইরাদত ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ের তুলে ধরেছেন।
মাহে রমযানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য-রচনা ও সম্পাদনায় মাওলানা জহিরুল ইসলাম
‘মাহে রমযানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য' গ্রন্থটিতে রোযার ইতিহাস, রমযানের বহুমাত্রিক গুরুত্ব ও ফযীলত, রোযাদারের মর্যাদা, রোযার মাসয়ালাসমূহ, সাহরি, ইফতার, কিয়ামুল লাইল, ই'তিকাফ, লাইলাতুল কদরের ইবাদত, সাদকাতুল ফিতর, যাকাত এবং কুরআন তিলাওয়াতের গুরুত্ব ও ফযীলত কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে বিধৃত হয়েছে এ গ্রন্থটিতে। সাধারণ পাঠক, শিক্ষার্থী, ইমাম-খতিব, দায়ী ও সর্বস্তরের পাঠকদের জন্য গ্রন্থটি একটি অতি মূল্যবান তথ্য-ভাণ্ডার হিসেবে কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। আমরা আশাবাদী, আমাদের সিয়াম সাধনা ও মাহে রমযানের অবশ্যকীয় ইবাদতগুলোকে আরও সুন্দর, সজিব, বরকতময় ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, ইনশাআল্লাহ ।
মিস কেস ড্রাফটিং
প্রথম প্রকাশকাল : সর্বশেষ প্রকাশ : মূল্য : ৩৫০ পৃষ্ঠা :
মুফতী মুহাম্মদ শাফী (রাহ.) জীবন ও অবদান – ড. মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন
মুফতী মুহাম্মদ শাফী (রহ.) বিংশ শতকের শুরু থেকে শেষাবধি ইসলামের শিক্ষা বিস্তারে অসামান্য অবদান রাখা একজন মনীষী। ইলমের বিভিন্ন শাখায় বিশেষত তাফসীর ও ফিকাহশাস্ত্রে তিনি বিশ্ববিখ্যাত বিদ্বানদের একজন। আধুনিক ও প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁর গবেষণা ও প্রদত্ত ফাতওয়া পূর্বদৃষ্টান্তহীন এবং মুসলিম উম্মাহর জন্য অনন্য অবদান। তাফসীরশাস্ত্রেও তাঁর অবদান অতুলনীয়। তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে গ্রন্থের সূচনা।
মুসলিম সঙ্গীত চর্চার সোনালী ইতিহাস – এ.জেড.এম. শামসুল আলম
সংস্কৃতি অঙ্গনে সংগীতবিষয়ক একটি অনবদ্য গ্রন্থ। যুগ যুগ ভিত্তিক সংগীত ও সংগীতজ্ঞ সম্পর্কীয় একটি ঐতিহাসিক গবেষণাগ্রন্থ। বাংলা ভাষায় সংগীত চর্চায় সুদীর্ঘ ইতিহাস রচনায় যে অপূর্ণতা রয়েছে, তা পূরণে এ গ্রন্থটি সহায়ক। ইসলামী যুগের শুরু হতে মুসলিম সমাজে সংগীত চর্চার বাস্তব ক্ষেত্র এবং সেসব সমাজে কীরূপ চিত্র ছিল, তারই বিশ্লেষণধর্মী রূপরেখা লেখক এই গ্রন্থে উপস্থাপন করেছেন।
মুসাফির- চৌধুরী শামসুর রহমান
মুসাফির- চৌধুরী শামসুর রহমান ৮০/- ১৩৬ পৃ.
মুহম্মদ ইব্ন কাসিম-নসীম হিজাযী
হিজরীরর প্রথম শতাব্দীতেই সিন্ধুতে ইসলামের আবির্ভাব। আর বিজয়ের উদ্দাম সেনানী ছিলেন সতেরো বছরের এক তরুণ সিপাহসালার মুহম্মদ ইব্ন কাসিম। তার বীরত্বপূর্ণ জীবন কাহিনী অবলম্বনে বিশ্ববিখ্যাত লেখক নসিম হিজাযী রচিত একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস মুহাম্মদ ইবন্ কাসিম। ইসলামের ইতিহাসের স্বর্ণযুগের স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর তলোয়ারে ঝলসে উঠেছিল বীরত্বে দীপ্ত তেজ, ব্যক্তিত্বে বিকশিত হয়েছিল ইসলামের মহত্ত্বের অনুপম সৌন্দর্য। উপন্যাসে এই মুজাহিদ সেনাপতির সিন্দু অভিযানসহ সমগ্র জীবনটি অনবদ্যভাবে চিত্রায়িত হয়েছে।
মূর্তি ও ভাস্কর্য বয়ান-প্রতিবয়ান
দীর্ঘকাল ধরে ‘মূর্তি ও ভাস্কর্য’ বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক চলমান। কুরআন-হাদীসে বিষয়টিকে সম্পূর্ণ হারাম বা নাজায়েজ ঘোষণা দেওয়ার পরও গায়ের জোরে কেউ কেউ হারামকে হালাল প্রমাণের দুঃসাহস দেখাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বর্তমান সময়ে পাশ্চাত্য ধারার ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী একশ্রেণির বুদ্ধিজীবী ইসলামবিরোধী বক্তব্য দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ গ্রন্থের মাধ্যমে বিদ্যমান বিতর্কের অবসান ঘটবে।