ক্রীতদাস সাহাবীরা আমাদের প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কত প্রিয় ছিলেন, তার কিছুটা ইঙ্গিত পাওয়া যাবে এই গ্রন্থে। মহানবীর কয়েকজন মুক্ত দাসদাসী সাহাবীর বাস্তব কাহিনি উল্লেখ করা হলো, যা অলৌকিক কাহিনিকে হার মানায়। বর্তমান কালের সঠিক অবক্ষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে রাসূল (সা.)-এর সাহাবীদের জীবনকাহিনি চর্চা যত বেশি হয়, ততই আমাদের জন্যে কল্যাণকর।
সত্ত্বাগতভাবে আল্লাহ তায়ালা একক ও অদ্বিতীয়। সৃষ্টির কোনো বস্তুর সঙ্গে আল্লাহর সত্তার সাদৃশ্য নেই। আল্লাহ তায়ালা বিদ্যমান রয়েছেন, কিন্তু মানুষের মতো তাঁর দেহ নেই। তাঁর অবস্থা মানুষের চিন্তা ও বোধগম্যের ঊর্ধ্বে। গ্রন্থে আল্লাহর পরিচয়, সৃষ্টিকর্ম, ক্ষমতা ইত্যাদি বিষয়সমূহ অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন।
এ গ্রন্থে কুরআন-হাদীসের আলোকে পরিবার ব্যবস্থাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর গড়ে তোলার জন্য মানুষকে দুনিয়ার জীবনযাপন ও জান্নাতমুখী আমলের ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করেছেন। মাতা-পিতা ও সন্তানের দ্বীনি জিন্দেগীর নানা দিকের প্রতি মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। মাতা-পিতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব এবং সন্তানের প্রতি মাতা-পিতার দায়িত্ব সম্পর্কে সুবিন্যস্তভাবে অবগত করা হয়েছে।
‘তাকওয়া ও ইহসানের পথ’ কুরআন-হাদীসের ভিত্তিতে রচিত বাস্তব আমলে জিন্দেগি ও তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। এ ছাড়া তিনি ফোরকানিয়া-মকতাবের উস্তাদ আলেমদের প্রশিক্ষক (উস্তাদ) হিসেবে তাযকিয়া তথা কালব-রূহ ও নফসের পরিশুদ্ধির সহিহ ধারাকে শিশুদের পর্যায় থেকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি মুআল্লিমদের উদ্দেশে যে সকল বক্তব্য পেশ করেছেন, তার সারনির্যাস হলো এ কিতাব।
আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে সমাজে নামাজ প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব অপরিসীম। যে দেশের শতকরা পঁচাত্তর ভাগের অধিক মানুষ রমজানের রোজা রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, সে দেশ সত্যিকার অর্থেই একটি ঐশ্বর্যশালী দেশ। তাই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে নামাজ কায়েম করতে হবে। এ গ্রন্থের পরতে পরতে সমাজ বিনির্মাণে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
লেখক সর্বস্তরের মানুষের জন্য বোধগম্য ও সহজলভ্য করে কুরআন-হাদীসের আলোকে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর নামাজ ও জরুরী দুআ সহজ, সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে। নামায পড়ার নিখুঁত পদ্ধতি এবং আল্লাহর রাসূল (সা.) কীভাবে নামাজ পড়তেন, সে সম্পর্কে বইটিতে সম্যক ধারণা পাওয়া যাবে।
Reviews
There are no reviews yet.